ফিফা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মামলা করলেন প্লাতিনি
ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ফ্রান্সের প্যারিসের একটি কোর্টে মামলা করলেন সাবেক উয়েফা প্রেসিডেন্ট মিশেল প্লাতিনি। মূলত ২০১৫ সালে মিশেল প্লাতিনির পতনের বিষয়ে অপপ্রচার ও মিথ্যা অভিযোগ দেওয়ার কারণে তিনি এই মামলা করেছেন। এই মামলায় তিনি ফিফার আইনি পরিচালক মার্কো ভিলিগার এবং সাবেক অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ডোমেনিকো সালাকেও অভিযুক্ত করেছেন। মূলত প্লাতিনি সেইসব ষড়যন্ত্রের তদন্ত করতে চাইছেন, যা তার মতে ফিফা সভাপতি হিসেবে তার নির্বাচনকে ঠেকানোর জন্য পরিকল্পিত ছিল। তখনকার নানা ঘটনা চারদিকে চাউর হয়েছিল যা তার বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান হিসেবে সেপ ব্লাটারের উত্তরসূরি হওয়ার প্লাতিনির উচ্চাকাঙ্ক্ষার কার্যত ইতি টেনেছিল। প্লাতিনির আইনি পরামর্শক দল জানিয়েছে, তারা প্রমাণ করতে চায় যে তার সুনাম নষ্ট করতে এবং ফিফা সভাপতি হওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করতে একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। এছাড়াও ফ্রান্সে ফৌজদারি অভিযোগের পাশাপাশি, ওই ফরাসি নাগরিক ফিফার বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যেখানে তিনি নীতিগত তদন্তের ফলে হওয়া ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করবেন। ফ্রান্সের সাব
ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ফ্রান্সের প্যারিসের একটি কোর্টে মামলা করলেন সাবেক উয়েফা প্রেসিডেন্ট মিশেল প্লাতিনি। মূলত ২০১৫ সালে মিশেল প্লাতিনির পতনের বিষয়ে অপপ্রচার ও মিথ্যা অভিযোগ দেওয়ার কারণে তিনি এই মামলা করেছেন। এই মামলায় তিনি ফিফার আইনি পরিচালক মার্কো ভিলিগার এবং সাবেক অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ডোমেনিকো সালাকেও অভিযুক্ত করেছেন।
মূলত প্লাতিনি সেইসব ষড়যন্ত্রের তদন্ত করতে চাইছেন, যা তার মতে ফিফা সভাপতি হিসেবে তার নির্বাচনকে ঠেকানোর জন্য পরিকল্পিত ছিল। তখনকার নানা ঘটনা চারদিকে চাউর হয়েছিল যা তার বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান হিসেবে সেপ ব্লাটারের উত্তরসূরি হওয়ার প্লাতিনির উচ্চাকাঙ্ক্ষার কার্যত ইতি টেনেছিল।
প্লাতিনির আইনি পরামর্শক দল জানিয়েছে, তারা প্রমাণ করতে চায় যে তার সুনাম নষ্ট করতে এবং ফিফা সভাপতি হওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করতে একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। এছাড়াও ফ্রান্সে ফৌজদারি অভিযোগের পাশাপাশি, ওই ফরাসি নাগরিক ফিফার বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যেখানে তিনি নীতিগত তদন্তের ফলে হওয়া ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করবেন।
ফ্রান্সের সাবেক এই আন্তর্জাতিক ফুটবলার মনে করেন যে তিনি একটি অপপ্রচারের শিকার হয়েছিলেন, যা ফুটবল প্রশাসনের গতিপথ বদলে দিয়েছিল। নতুন এই মামলার মাধ্যমে প্লাতিনি নিজের নাম কলঙ্কমুক্ত করতে এবং ফুটবল প্রশাসন থেকে তার অপসারণের জন্য দায়ী বলে মনে করা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন।
মামলাটির সূত্রপাত হয় ২০১১ সালে। তৎকালীন ফিফা সভাপতি ব্লাটারের অনুমোদনে প্লাতিনিকে দেওয়া ২০ লক্ষ সুইস ফ্রাঁর একটি অর্থ প্রদান থেকে। জানা যায়, এই অর্থ প্রদানটি ১৯৯৮ থেকে ২০০২ সালের মধ্যে সম্পাদিত পরামর্শমূলক কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল, কিন্তু অর্থ প্রদানে বিলম্বের বিষয়টি পরবর্তীকালে তদন্তকারীদের নজরে আসে।
২০১৫ সালে যখন লেনদেনটির বিস্তারিত তথ্য জনসম্মুখে আসে, তখন প্লাতিনি এবং ব্লাটার উভয়কেই ফুটবল-সম্পর্কিত কার্যকলাপ থেকে দীর্ঘ মেয়াদী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। সে সময়, ফিফা সভাপতি হিসেবে ব্লাটারের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার জন্য প্লাতিনিকেই প্রধান প্রার্থী হিসেবে ব্যাপকভাবে দেখা হচ্ছিল। প্রতিযোগিতা থেকে তার সরে দাঁড়ানোর ফলে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন উয়েফার সাধারণ সম্পাদক ইনফান্তিনোর জন্য ফিফা সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়। এরপর থেকে ইনফান্তিনো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দুইবার পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন।
আরআর/আইএন
What's Your Reaction?