কুলিক নদে মৎস্য অভয়াশ্রম, সুদিন ফিরেছে মৎস্যজীবীদের
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় কুলিক নদে মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপনের ফলে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেছে। নদে মাছের উৎপাদন বাড়ায় স্থানীয় পরিবারগুলো আমিষের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছে। উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, জলবায়ু পরিবর্তন, নদের নাব্যতা হ্রাস এবং মানবসৃষ্ট বিভিন্ন কারণে কুলিক নদে দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রাপ্যতা গত কয়েক বছরে আশঙ্কাজনক হারে কমে গিয়েছিল। অনেক প্রজাতি ছিল বিলুপ্তির পথে। এই সংকট কাটাতে উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে ‘ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট’-এর অধীনে ভাতুরিয়া ইউনিয়নে দুটি অভয়াশ্রম গড়ে তোলা হয়। গত দুই বছর আগে কুলিক নদের এক একর জলাশয়ে ‘মানিকপীর’ এবং গোবিন্দপুর এলাকায় ‘আলীপীর মনি’ নামে দুটি মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপন করা হয়। এই উদ্যোগের ফলে নদের জীববৈচিত্র্য ফিরে এসেছে এবং এলাকার ৫০ জন পেশাদার মৎস্যজীবীসহ মোট ৪৯০ জন সুফলভোগী সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন। স্থানীয় মৎস্যজীবী রাজিউর বলেন, আগে এই নদে জাল ফেলে মাছ পাওয়া দুষ্কর ছিল। কিন্তু অভয়াশ্রম হওয়ার পর এখন প্রচুর পরিমাণে দেশি ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যাচ্ছে
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় কুলিক নদে মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপনের ফলে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেছে। নদে মাছের উৎপাদন বাড়ায় স্থানীয় পরিবারগুলো আমিষের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছে।
উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, জলবায়ু পরিবর্তন, নদের নাব্যতা হ্রাস এবং মানবসৃষ্ট বিভিন্ন কারণে কুলিক নদে দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রাপ্যতা গত কয়েক বছরে আশঙ্কাজনক হারে কমে গিয়েছিল। অনেক প্রজাতি ছিল বিলুপ্তির পথে। এই সংকট কাটাতে উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে ‘ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট’-এর অধীনে ভাতুরিয়া ইউনিয়নে দুটি অভয়াশ্রম গড়ে তোলা হয়।
গত দুই বছর আগে কুলিক নদের এক একর জলাশয়ে ‘মানিকপীর’ এবং গোবিন্দপুর এলাকায় ‘আলীপীর মনি’ নামে দুটি মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপন করা হয়। এই উদ্যোগের ফলে নদের জীববৈচিত্র্য ফিরে এসেছে এবং এলাকার ৫০ জন পেশাদার মৎস্যজীবীসহ মোট ৪৯০ জন সুফলভোগী সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন।
স্থানীয় মৎস্যজীবী রাজিউর বলেন, আগে এই নদে জাল ফেলে মাছ পাওয়া দুষ্কর ছিল। কিন্তু অভয়াশ্রম হওয়ার পর এখন প্রচুর পরিমাণে দেশি ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যাচ্ছে। এতে আমাদের সংসারে সচ্ছলতা ফিরে এসেছে।
হরিপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, অভয়াশ্রমের নির্দিষ্ট এলাকায় সারা বছর মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকায় মাছগুলো নিরাপদ আশ্রয় পায় এবং প্রজনন মৌসুমে নির্বিঘ্নে বংশবিস্তার করতে পারে। ফলে কুলিক নদে জ্যামিতিক হারে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি আরও জানান, এর মাধ্যমে স্থানীয়দের প্রাণিজ প্রোটিনের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের একটি স্থায়ী ও টেকসই ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে।
What's Your Reaction?