কুষ্টিয়ায় হামে আরও এক শিশুর প্রাণহানি, মৃত্যু বেড়ে ৬
কুষ্টিয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে রায়হান হোসেন নামে ছয় মাস বয়সী আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোট ৬ জন শিশুর মৃত্যু হলো। রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে (মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। মৃত শিশু রায়হান কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর এলাকার সোহাগ আলীর ছেলে। হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. এএইচএম আনোয়ারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে হামের তীব্র উপসর্গ নিয়ে শিশু রায়হানকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ভর্তির সময়ই শিশুটির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। চিকিৎসকদের সব ধরনের চেষ্টা সত্ত্বেও বিকেল পৌনে ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কুষ্টিয়ায় এ পর্যন্ত ৩১৮ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে রায়হানসহ মোট ৬ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। হঠাৎ করে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলাজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এ
কুষ্টিয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে রায়হান হোসেন নামে ছয় মাস বয়সী আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোট ৬ জন শিশুর মৃত্যু হলো।
রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে (মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। মৃত শিশু রায়হান কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর এলাকার সোহাগ আলীর ছেলে।
হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. এএইচএম আনোয়ারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে হামের তীব্র উপসর্গ নিয়ে শিশু রায়হানকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ভর্তির সময়ই শিশুটির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। চিকিৎসকদের সব ধরনের চেষ্টা সত্ত্বেও বিকেল পৌনে ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কুষ্টিয়ায় এ পর্যন্ত ৩১৮ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে রায়হানসহ মোট ৬ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। হঠাৎ করে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলাজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে, আক্রান্ত শিশুদের ভিড় বাড়লেও হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স ও ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। সীমিত জনবল ও সরঞ্জাম নিয়ে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। জরুরি ভিত্তিতে বাড়তি জনবল ও পর্যাপ্ত ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. এএইচএম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি, কিন্তু তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
What's Your Reaction?