কুড়িগ্রামে ৯১৮ কেজি ভারতীয় বাসমতি চাল জব্দ, ব্যবসায়ী পলাতক
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে এক ব্যবসায়ীর গুদামে অভিযান চালিয়ে ৯১৮ কেজি ভারতীয় অবৈধ বাসমতি চাল আটক করেছে পুলিশ। রবিবার দুপুরে উপজেলা সদরের জামতলা মোড়ে চোরাকারবারি বলরাম চন্দ্র সাহার গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ৯১৮ কেজি ভারতীয় অবৈধ বাসমতি চাল জব্দ করা হয়।পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি দল বাজারের চোরাকারবারি বলরাম চন্দ্র সাহার গোডাউনে অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে ভারত থেকে আনা ৯১৮ কেজি বাসমতি চাল আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ব্যবসায়ী বলরাম চন্দ্র সাহা বাড়ির পেছনের পথ দিয়ে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ভারতীয় বাসমতি চালগুলো মূলত পাথরডুবি ইউনিয়নের বাঁশজানি ও ভোটহাট সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। আটক এসব বাসমতি চালের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী বলরাম চন্দ্র সাহার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ সালের সংশ্লিষ্ট ধারা মোতাবেক মামলা
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে এক ব্যবসায়ীর গুদামে অভিযান চালিয়ে ৯১৮ কেজি ভারতীয় অবৈধ বাসমতি চাল আটক করেছে পুলিশ। রবিবার দুপুরে উপজেলা সদরের জামতলা মোড়ে চোরাকারবারি বলরাম চন্দ্র সাহার গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ৯১৮ কেজি ভারতীয় অবৈধ বাসমতি চাল জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি দল বাজারের চোরাকারবারি বলরাম চন্দ্র সাহার গোডাউনে অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে ভারত থেকে আনা ৯১৮ কেজি বাসমতি চাল আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ব্যবসায়ী বলরাম চন্দ্র সাহা বাড়ির পেছনের পথ দিয়ে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ভারতীয় বাসমতি চালগুলো মূলত পাথরডুবি ইউনিয়নের বাঁশজানি ও ভোটহাট সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। আটক এসব বাসমতি চালের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী বলরাম চন্দ্র সাহার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ সালের সংশ্লিষ্ট ধারা মোতাবেক মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চলছে। মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
What's Your Reaction?