কুয়েটে ল্যাবের কম্পিউটারে মিললো শিক্ষার্থীর অশ্লীল ভিডিওর গুগল ড্রাইভ

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) একজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অশ্লীল ও যৌন নিপীড়নের ভিডিও রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কুয়েট প্রশাসন। অভিযুক্ত ওই শিক্ষার্থীর নাম হাসিব। তিনি কুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ২০২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী। রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর রাতেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ল্যাবের কম্পিউটারে নিজের গুগল ড্রাইভ অ্যাকাউন্ট লগইন করেন অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হাসিব। পরবর্তীতে তিনি অ্যাকাউন্ট লগ আউট করতে ভুল যান। পরে ল্যাবে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (আইইএম) বিভাগের ২০২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ল্যাব করতে গিয়ে ওই অ্যাকাউন্টটি দেখতে পান। সেখানে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে আলাদা ফোল্ডারে ছবি ও ভিডিও সংরক্ষিত ছিল, যেগুলোকে ‘ট্রফি’ হিসেবে রাখা হয়েছে। এসব কনটেন্টের মধ্যে বিভিন্ন বয়সি নারীর ছবি ও ভিডিও রয়েছে বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন। ধর্ষণ ও শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও রেখেছিলেন হাসিব। কিছু ছবি-ভিডিওতে তাকেও

কুয়েটে ল্যাবের কম্পিউটারে মিললো শিক্ষার্থীর অশ্লীল ভিডিওর গুগল ড্রাইভ

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) একজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অশ্লীল ও যৌন নিপীড়নের ভিডিও রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কুয়েট প্রশাসন।

অভিযুক্ত ওই শিক্ষার্থীর নাম হাসিব। তিনি কুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ২০২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর রাতেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ল্যাবের কম্পিউটারে নিজের গুগল ড্রাইভ অ্যাকাউন্ট লগইন করেন অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হাসিব। পরবর্তীতে তিনি অ্যাকাউন্ট লগ আউট করতে ভুল যান। পরে ল্যাবে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (আইইএম) বিভাগের ২০২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ল্যাব করতে গিয়ে ওই অ্যাকাউন্টটি দেখতে পান।

সেখানে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে আলাদা ফোল্ডারে ছবি ও ভিডিও সংরক্ষিত ছিল, যেগুলোকে ‘ট্রফি’ হিসেবে রাখা হয়েছে। এসব কনটেন্টের মধ্যে বিভিন্ন বয়সি নারীর ছবি ও ভিডিও রয়েছে বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন। ধর্ষণ ও শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও রেখেছিলেন হাসিব। কিছু ছবি-ভিডিওতে তাকেও দেখা যায়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের সূত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত শুরু করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাসান আলী জাগো নিউজকে বলেন, এ ঘটনায় ফজলুল হক হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আরিফুজ্জামান, খান জাহান আলী হলের প্রভোস্ট ড. মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইলিয়াস আখতার ও সহকারী ছাত্রকল্যাণ পরিচালক রাজন কুমার রাহাকে নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, দ্রুত তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য আমরা কাজ করছি। এ বিষয়ে সরকারি আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এ বিষয় নিয়ে কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই।

আরিফুর রহমান/এফএ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow