কুয়েতে তেল শোধনাগারে আবারও ড্রোন হামলা, ভয়াবহ আগুন

মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার ঘটনা থামছেই না। এবার কুয়েতের দ্বিতীয় একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (কেপিসি) জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত মিনা আবদুল্লাহ শোধনাগারের একটি অপারেশনাল ইউনিটে ড্রোনটি আঘাত হানে। হামলার পরপরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কুয়েত নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে জানানো হয়, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং স্থাপনাটি সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর আগে কুয়েতের মিনা আল আহমাদি শোধনাগারেও একই ধরনের ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে আগুন লাগলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। এক দিনের ব্যবধানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে হামলার ঘটনা দেশটির জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এদিকে, কাতারের রাস লাফান ও ইরানের গ্যাসক্ষেত্রে হামলার সাম্প্রতিক খবরের প্রেক্ষাপটে কুয়েতের এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক জ্বালানি পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে। তবে এই হামলার জন্য এখনো কাউকে দায়ী করা হয়নি।

কুয়েতে তেল শোধনাগারে আবারও ড্রোন হামলা, ভয়াবহ আগুন

মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার ঘটনা থামছেই না। এবার কুয়েতের দ্বিতীয় একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে।

কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (কেপিসি) জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত মিনা আবদুল্লাহ শোধনাগারের একটি অপারেশনাল ইউনিটে ড্রোনটি আঘাত হানে। হামলার পরপরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

কুয়েত নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে জানানো হয়, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং স্থাপনাটি সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এর আগে কুয়েতের মিনা আল আহমাদি শোধনাগারেও একই ধরনের ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে আগুন লাগলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। এক দিনের ব্যবধানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে হামলার ঘটনা দেশটির জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

এদিকে, কাতারের রাস লাফান ও ইরানের গ্যাসক্ষেত্রে হামলার সাম্প্রতিক খবরের প্রেক্ষাপটে কুয়েতের এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক জ্বালানি পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে। তবে এই হামলার জন্য এখনো কাউকে দায়ী করা হয়নি।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ধারাবাহিক হামলা ‘জ্বালানি যুদ্ধের’ শঙ্কা বাড়াচ্ছে, যা বৈশ্বিক বাজারে তেলের দামে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। মিনা আবদুল্লাহ ও মিনা আল-আহমাদি—উভয় শোধনাগারই কুয়েতের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow