কৃত্রিম পা, ব্রেইল বই ও স্মার্ট হোয়াইট ক্যান বিতরণ
প্রতিবন্ধীদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষে কৃত্রিম পা, নিয়োগপত্র, ব্রেইল বই ও স্মার্ট হোয়াইট ক্যান বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) শাহ মোহাম্মদ মাহবুবসহ অন্যান্য অতিথিরা। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা কোনো বোঝা নন; বরং তারা দেশের সম্ভাবনাময় মানবসম্পদ। তবে দীর্ঘদিন ধরে নানা সামাজিক ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে তারা কর্মসংস্থান ও উৎপাদন ব্যবস্থার মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন। এ বাস্তবতা পরিবর্তনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বক্তারা জানান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন শারীরিক প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টের উদ্যোগে পরিচালিত ‘মৈত্রী শিল্প’ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। এখানে প্র
প্রতিবন্ধীদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষে কৃত্রিম পা, নিয়োগপত্র, ব্রেইল বই ও স্মার্ট হোয়াইট ক্যান বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) শাহ মোহাম্মদ মাহবুবসহ অন্যান্য অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা কোনো বোঝা নন; বরং তারা দেশের সম্ভাবনাময় মানবসম্পদ। তবে দীর্ঘদিন ধরে নানা সামাজিক ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে তারা কর্মসংস্থান ও উৎপাদন ব্যবস্থার মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন। এ বাস্তবতা পরিবর্তনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বক্তারা জানান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন শারীরিক প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টের উদ্যোগে পরিচালিত ‘মৈত্রী শিল্প’ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। এখানে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা হচ্ছে এবং মৈত্রী প্লাস্টিক পণ্য ও ‘মুক্তা ন্যাচারাল ড্রিংকিং ওয়াটার’ উৎপাদন ও বিপণনের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
বক্তারা আরও বলেন, ২০১৫ সালে যাত্রা শুরু করা ‘মুক্তা ড্রিংকিং ওয়াটার প্ল্যান্ট’ বর্তমানে একটি সম্ভাবনাময় শিল্প উদ্যোগে পরিণত হয়েছে। সরকারের নীতি সহায়তায় এ উদ্যোগকে আরও আধুনিক ও বাজারমুখী করার পরিকল্পনা রয়েছে। মৈত্রী শিল্প শুধু একটি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান নয়, এটি প্রতিবন্ধীবান্ধব উন্নয়নের একটি কার্যকর মডেল, যা আত্মনির্ভরতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিচ্ছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ঢাকাসহ চট্টগ্রাম ও রংপুরের শাখাগুলোতে নতুন যন্ত্রপাতি সংযোজনের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রতিযোগিতামূলক বাজারে অবস্থান সুদৃঢ় করা এবং প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক ও স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে কাজ চলছে। পাশাপাশি গ্রাহকসেবা জোরদারে ২৪ ঘণ্টার কলসেন্টার চালুর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শূন্য পদে দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং সরকারি হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্লাস্টিক পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে স্থায়ী বাজার তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণের কথাও জানান সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিরা এই উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিতে দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং আয়োজকদের প্রতি ধন্যবাদ জানান।
What's Your Reaction?