কৃষকদের উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী। তিনি যা বলেন, তাই বাস্তবায়ন করেন। কৃষকদের হাতে কৃষি কার্ড তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই প্রতিশ্রুতিরই আরেকটি প্রমাণ মিলেছে।
তিনি আরও বলেন, কৃষকদের উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রণোদনা, ভর্তুকি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা সহজেই তাদের কাছে পৌঁছে যাবে, যা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের উথলি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে কৃষি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষকের মাঝে কার্ড ও গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী। অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এসএম আমানুল্লাহ, বগুড়া আরডিএর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কৃষিবিদ আব্দুল মজিদ, জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বক্তব্য দেন।
শিবগঞ্জ উপজেলায় প্রাক্–পাইলটি
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী। তিনি যা বলেন, তাই বাস্তবায়ন করেন। কৃষকদের হাতে কৃষি কার্ড তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই প্রতিশ্রুতিরই আরেকটি প্রমাণ মিলেছে।
তিনি আরও বলেন, কৃষকদের উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রণোদনা, ভর্তুকি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা সহজেই তাদের কাছে পৌঁছে যাবে, যা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের উথলি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে কৃষি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষকের মাঝে কার্ড ও গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী। অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এসএম আমানুল্লাহ, বগুড়া আরডিএর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কৃষিবিদ আব্দুল মজিদ, জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বক্তব্য দেন।
শিবগঞ্জ উপজেলায় প্রাক্–পাইলটিং পর্যায়ে প্রথম দফায় ‘কৃষক কার্ড’ পেলেন ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষক।
বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দীন জানান, প্রাক্–পাইলটিং (পরীক্ষামূলক), পাইলটিং ও দেশব্যাপী কার্যক্রম- এই তিন ধাপে পর্যায়ক্রমে সব কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’দেবে সরকার। পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করে দেওয়া হবে এই কার্ড। এর মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ–সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কার্ডধারী কৃষকেরা।
তিনি আরও জানান, প্রাক্–পাইলটিং পর্যায়ে ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে ফসল উৎপাদনকারী কৃষকের পাশাপাশি মৎস্যচাষি বা আহরণকারী, প্রাণিসম্পদ খাতে নিয়োজিত খামারি, দুগ্ধ উৎপাদনকারী খামারিসহ ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শ্রেণির কৃষকও কৃষি কার্ড পাবেন। তবে বার্ষিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে প্রণোদনা সুবিধা পাবেন শুধু ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক।
সোহেল মো. শামসুদ্দীন জানান, প্রাক্–পাইলটিং পর্যায়ে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি ব্লকে নির্বাচিত ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষকের মধ্যে ১ হাজার ১৪১ জনই ভূমিহীন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক। তাঁদের প্রত্যেকের ব্যাংক হিসাব নম্বরে ইতোমধ্যে এক বছরের প্রণোদনা বাবদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাঠানো হয়েছে।