কেওড়াতলায় চিরনিদ্রায় শায়িত অভিনেতা রাহুল
সোমবার দুপুরবেলা নিজের বাড়িতে ফিরলেন সবার প্রিয় বাবিন। শুটিং শেষ করে এদিনই তার বাড়ি ফেরার কথা ছিল। তবে রোববার সন্ধ্যায় একটি মর্মান্তিক খবরে পরিবারের চেনা ছবি একদম পাল্টে যায়। ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক পৌনে তিনটে বাজে, যখন তার নিথর দেহ বাড়িতে পৌঁছায়। পরিবার, পরিজন এবং ইন্ডাস্ট্রির সদস্যদের মনে এখন কেবল একটাই প্রশ্ন, এমন ঘটনা কীভাবে সম্ভব! চোখের জলে প্রিয় অভিনেতাকে চিরবিদায় জানানোর পালা শুরু হয়। পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে সহকর্মী ও বন্ধু-পরিজনেরা রাহুলের শেষযাত্রায় পা মেলান। ফুলে ফুলে সেজে ওঠা স্বর্গরথে করেই শেষবারের মতো বাড়ি ছাড়েন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। গানে গানে বন্ধু ও সহকর্মীকে চিরবিদায় জানান সবাই। বিকেল পাঁচটা নাগাদ কেওড়াতলা মহাশ্মশানে দেহ পৌঁছে গেলে, সেখানেও মানুষের ঢল নামে। রোববার সন্ধ্যায় এই অভিনেতার প্রয়াণের খবর সামনে আসার পর থেকেই শোকে পাথর হয়ে আছে গোটা বাংলা। রোববার রাত থেকেই রাহুলের বাড়িতে সবার আনাগোনা শুরু হয় এবং সোমবার সকাল থেকে সেই ভিড় ক্রমশ বাড়তে থাকে। সকালে তমলুক মেডিকেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষ হতেই, কলকাতার পথে রাহুলের মরদেহ নিয়ে রওনা হন তার বন্ধুরা। সকাল থেকেই সে
সোমবার দুপুরবেলা নিজের বাড়িতে ফিরলেন সবার প্রিয় বাবিন। শুটিং শেষ করে এদিনই তার বাড়ি ফেরার কথা ছিল। তবে রোববার সন্ধ্যায় একটি মর্মান্তিক খবরে পরিবারের চেনা ছবি একদম পাল্টে যায়। ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক পৌনে তিনটে বাজে, যখন তার নিথর দেহ বাড়িতে পৌঁছায়। পরিবার, পরিজন এবং ইন্ডাস্ট্রির সদস্যদের মনে এখন কেবল একটাই প্রশ্ন, এমন ঘটনা কীভাবে সম্ভব! চোখের জলে প্রিয় অভিনেতাকে চিরবিদায় জানানোর পালা শুরু হয়।
পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে সহকর্মী ও বন্ধু-পরিজনেরা রাহুলের শেষযাত্রায় পা মেলান। ফুলে ফুলে সেজে ওঠা স্বর্গরথে করেই শেষবারের মতো বাড়ি ছাড়েন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। গানে গানে বন্ধু ও সহকর্মীকে চিরবিদায় জানান সবাই। বিকেল পাঁচটা নাগাদ কেওড়াতলা মহাশ্মশানে দেহ পৌঁছে গেলে, সেখানেও মানুষের ঢল নামে।
রোববার সন্ধ্যায় এই অভিনেতার প্রয়াণের খবর সামনে আসার পর থেকেই শোকে পাথর হয়ে আছে গোটা বাংলা। রোববার রাত থেকেই রাহুলের বাড়িতে সবার আনাগোনা শুরু হয় এবং সোমবার সকাল থেকে সেই ভিড় ক্রমশ বাড়তে থাকে। সকালে তমলুক মেডিকেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষ হতেই, কলকাতার পথে রাহুলের মরদেহ নিয়ে রওনা হন তার বন্ধুরা।
সকাল থেকেই সেখানে একে একে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে থাকেন সবাই। অভিনেতা থেকে শুরু করে শুটিং সেটের বিভিন্ন কলাকুশলীরা এদিন তার অপেক্ষায় ছিলেন। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি পাড়াপ্রতিবেশী এবং স্বরূপ বিশ্বাসও শেষ শ্রদ্ধা জানান। সেখান থেকেই সবাই মিলে তার দেহ নিয়ে রওনা দেন কেওড়াতলা মহাশ্মশানের পথে। অভিনেতার পথ চেয়ে শুধু রইল শূন্য ঘর, আর রয়ে গেল শত শত স্মৃতি।
What's Your Reaction?