কেন্দুয়ায় বিএনপির কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর
জেলা প্রতিনিধি, নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নে বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ সময় হাতাহাতি, ভাঙচুর ও নগদ অর্থ লুটের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে মাসকা ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ঘটে। স্থানীয় বিএনপির নেতাদের দাবি, স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকরা এ ঘটনায় জড়িত। দলীয় সূত্র জানায়, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান সুমনের সঙ্গে সদ্য বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিকের আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এতে ৪০/৫০ জনের একটি দল সংঘবদ্ধ হয়ে কার্যালয়ে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা কার্যালয়ের টেবিলের ড্রয়ার ভেঙে প্রায় ১২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা লুট এবং শতাধিক চেয়ার ভাঙচুর করে। উপজেলা ওলামা দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শহিদুল্লাহ জানান, ভাঙচুরের সময় কয়েকজন অভিযুক্তকে লাঠিসোঁটা হাতে কার্যালয়ের ভেতরে দেখেছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, টাকা নিয়ে বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করতে সেখানে গিয়ে
জেলা প্রতিনিধি, নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নে বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ সময় হাতাহাতি, ভাঙচুর ও নগদ অর্থ লুটের অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে মাসকা ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ঘটে। স্থানীয় বিএনপির নেতাদের দাবি, স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকরা এ ঘটনায় জড়িত।
দলীয় সূত্র জানায়, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান সুমনের সঙ্গে সদ্য বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিকের আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এতে ৪০/৫০ জনের একটি দল সংঘবদ্ধ হয়ে কার্যালয়ে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা কার্যালয়ের টেবিলের ড্রয়ার ভেঙে প্রায় ১২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা লুট এবং শতাধিক চেয়ার ভাঙচুর করে।
উপজেলা ওলামা দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শহিদুল্লাহ জানান, ভাঙচুরের সময় কয়েকজন অভিযুক্তকে লাঠিসোঁটা হাতে কার্যালয়ের ভেতরে দেখেছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, টাকা নিয়ে বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করতে সেখানে গিয়েছিলাম। পরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি।
অভিযুক্ত জুয়েল মিয়া ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার বলেন, নিজেরা ভাঙচুর করে আমাদের দোষারোপ করছে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এইচ এম কামাল/এএইচ
What's Your Reaction?