কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হাজতির ঢামেকে মৃত্যু
ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে মো. দেলবর হোসেন (৭০) নামের এক হাজতি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। সোমবার (৪ মে) কারাগারে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। এরপর রাত নয়টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কারারক্ষী আল-আমিন বলেন, দেলবর হোসেন কেন্দ্রীয় কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আরও পড়ুনহাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ জনের মৃত্যু উৎসবের মাসে বিষাদের ছায়া দেলবর হোসেন কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতি হিসেবে ছিলেন। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার মহারাজপুর গ্রামের মৃত নবীন আকবরের সন্তান। তবে তিনি কোন মামলায় কারাগারে ছিলেন সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদনর শেষে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারে
ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে মো. দেলবর হোসেন (৭০) নামের এক হাজতি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।
সোমবার (৪ মে) কারাগারে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। এরপর রাত নয়টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কারারক্ষী আল-আমিন বলেন, দেলবর হোসেন কেন্দ্রীয় কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ জনের মৃত্যু
উৎসবের মাসে বিষাদের ছায়া
দেলবর হোসেন কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতি হিসেবে ছিলেন। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার মহারাজপুর গ্রামের মৃত নবীন আকবরের সন্তান। তবে তিনি কোন মামলায় কারাগারে ছিলেন সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদনর শেষে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারে কাছে হস্তান্তর করা হবে।
কাজী আল-আমিন/কেএসআর
What's Your Reaction?