কেন ছাত্রলীগকে কাছে টানার কথা বলছে এনসিপি
যে ছাত্রলীগকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার নিষিদ্ধ করল, সেই সংগঠনটির সদস্যদেরই এখন দলে ভেড়াতে চাইছে তারা। এর কারণ হিসেবে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলছেন, অপরাধী না হলে সবাইকে তারা দলে নিতে চান। রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এনসিপির এমন বার্তায় এটি স্পষ্ট যে, ছাত্রলীগের কর্মীরা রাজনীতির মাঠে ‘নতুন সুযোগ’ পেতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণেরা দল ভারী করতে চাইছেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রদল হোক, ছাত্রশিবির হোক, ছাত্র অধিকার পরিষদ, এমনকি ছাত্রলীগ হোক—তার সাবেক পরিচয় আমাদের কাছে মুখ্য নয়। তবে কোনো ফ্যাসিবাদে অংশগ্রহণকারী, গণহত্যায় অংশগ্রহণকারী, গণহত্যাকে সমর্থনকারী, চাঁদাবাজ, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত, সন্ত্রাসী—এ ধরনের কোনো ব্যক্তি কখনোই এনসিপিতে আসতে বা থাকতে পারবে না।’ তিনি বলেন, ‘অতীতে ছাত্রলীগ করলেও এনসিপি যোগ দেওয়া যাবে। কেউ যখন এনসিপিতে যোগ দেবেন, তখন থেকেই তিনি দলের আদর্শ ধারণ করে একজন সংগঠক ও নেতাকর্মী হিসেবে কাজ করবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা এনসিপির
যে ছাত্রলীগকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার নিষিদ্ধ করল, সেই সংগঠনটির সদস্যদেরই এখন দলে ভেড়াতে চাইছে তারা। এর কারণ হিসেবে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলছেন, অপরাধী না হলে সবাইকে তারা দলে নিতে চান।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এনসিপির এমন বার্তায় এটি স্পষ্ট যে, ছাত্রলীগের কর্মীরা রাজনীতির মাঠে ‘নতুন সুযোগ’ পেতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণেরা দল ভারী করতে চাইছেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রদল হোক, ছাত্রশিবির হোক, ছাত্র অধিকার পরিষদ, এমনকি ছাত্রলীগ হোক—তার সাবেক পরিচয় আমাদের কাছে মুখ্য নয়। তবে কোনো ফ্যাসিবাদে অংশগ্রহণকারী, গণহত্যায় অংশগ্রহণকারী, গণহত্যাকে সমর্থনকারী, চাঁদাবাজ, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত, সন্ত্রাসী—এ ধরনের কোনো ব্যক্তি কখনোই এনসিপিতে আসতে বা থাকতে পারবে না।’
তিনি বলেন, ‘অতীতে ছাত্রলীগ করলেও এনসিপি যোগ দেওয়া যাবে। কেউ যখন এনসিপিতে যোগ দেবেন, তখন থেকেই তিনি দলের আদর্শ ধারণ করে একজন সংগঠক ও নেতাকর্মী হিসেবে কাজ করবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা এনসিপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দায়িত্বশীল রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চান এবং বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে আগ্রহী, তাদের নিয়েই দল সামনে এগোতে চায়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে আগামীর রাজনীতি বিনির্মাণই এনসিপির লক্ষ্য।’
সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, আজ যারা দলে যোগ দিচ্ছেন, তারা এতদিনও একই আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন, শুধু প্ল্যাটফর্ম ভিন্ন ছিল। এখন আনুষ্ঠানিকভাবে সবাই একত্রিত হচ্ছেন। সারা দেশের তরুণসহ সব বয়সী মানুষকে এনসিপিতে যোগ দিয়ে দলকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘দেশে নতুন কোনো স্বৈরতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। জনগণ যে সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে হবে এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।’
What's Your Reaction?