কোচ আনচেলত্তির সঙ্গে যুদ্ধে জড়ালেন ব্রাজিলের সমর্থকরা, কিন্তু কেন?

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শুরুটা কার্লো আনচেলত্তির প্রত্যাশামতো হয়নি। মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১-১ ড্র করেছিল সেলেসাওরা। তবে শিষ্যরা ঘুরে দাঁড়াবে, এ ব্যাপারে কোনো সংশয় ছিল না ইতালিয়ান কোচের। দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথমার্ধের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে স্বস্তির জয় তুলে নেয় ব্রাজিল। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নামার আগে চোটের কারণে রাফিনহা ছিটকে যাওয়ায় একাদশ নির্বাচন নিয়ে কিছুটা সমস্যায় পড়েন আনচেলত্তি। কাফ ইনজুরি কাটিয়ে নেইমার খেলার জন্য প্রস্তুত থাকলেও, ছিলেন না শুরু থেকেই মাঠে নামার মতো অবস্থায়। তবুও বিকল্পের অভাব ছিল না ব্রাজিলের। তবে রাফিনহার জায়গায় একজনকেই দেখতে চান অধিকাংশ ব্রাজিল সমর্থকরা। তিনি হলেন এনদ্রিক। ১৯ বছর বয়সী এই তরুণ ফরোয়ার্ড হাইতির বিপক্ষে ২৬ মিনিট খেলেছিলেন। যদিও ম্যাচে মাত্র ৮ বার বল স্পর্শ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। অফসাইডে বাতিল না হলে করেছিলেন একটি গোলও। তবুও তার পারফরম্যান্স সমর্থকদের এতটাই আশাবাদী করেছে যে, তারা শুধু শুরুর একাদশে দেখতে চাওয়ার কথা বলেই থেমে থাকেননি, আনচেলত্তির কাছে নিজেদের দাবি পৌঁছে দেওয়ারও উদ্যোগ নিয়েছেন। জানা যায়,

কোচ আনচেলত্তির সঙ্গে যুদ্ধে জড়ালেন ব্রাজিলের সমর্থকরা, কিন্তু কেন?

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শুরুটা কার্লো আনচেলত্তির প্রত্যাশামতো হয়নি। মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১-১ ড্র করেছিল সেলেসাওরা। তবে শিষ্যরা ঘুরে দাঁড়াবে, এ ব্যাপারে কোনো সংশয় ছিল না ইতালিয়ান কোচের। দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথমার্ধের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে স্বস্তির জয় তুলে নেয় ব্রাজিল।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নামার আগে চোটের কারণে রাফিনহা ছিটকে যাওয়ায় একাদশ নির্বাচন নিয়ে কিছুটা সমস্যায় পড়েন আনচেলত্তি। কাফ ইনজুরি কাটিয়ে নেইমার খেলার জন্য প্রস্তুত থাকলেও, ছিলেন না শুরু থেকেই মাঠে নামার মতো অবস্থায়।

তবুও বিকল্পের অভাব ছিল না ব্রাজিলের। তবে রাফিনহার জায়গায় একজনকেই দেখতে চান অধিকাংশ ব্রাজিল সমর্থকরা। তিনি হলেন এনদ্রিক।

১৯ বছর বয়সী এই তরুণ ফরোয়ার্ড হাইতির বিপক্ষে ২৬ মিনিট খেলেছিলেন। যদিও ম্যাচে মাত্র ৮ বার বল স্পর্শ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। অফসাইডে বাতিল না হলে করেছিলেন একটি গোলও।

তবুও তার পারফরম্যান্স সমর্থকদের এতটাই আশাবাদী করেছে যে, তারা শুধু শুরুর একাদশে দেখতে চাওয়ার কথা বলেই থেমে থাকেননি, আনচেলত্তির কাছে নিজেদের দাবি পৌঁছে দেওয়ারও উদ্যোগ নিয়েছেন।

জানা যায়, StartEndrick.com-এ ‘পলিমার্কেট পিটিশন’ নামে একটি প্রচারণা চালু হয়েছিল স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে, যেখানে ১৩ হাজারের বেশি স্বাক্ষর জমা পড়েছে।

অবশ্য এসবের কোনো প্রভাব আনচেলত্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পড়েনি। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে আগের ম্যাচে রাফিনহা চোট পাওয়ার পর তার বদলি হিসেবে নামা রায়ানকেই শুরুর একাদশে রাখেন তিনি।

অবশ্য আনচেলত্তির সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক বলার সুযোগও নেই। কারণ উইঙ্গার হিসেবে এনদ্রিকের চেয়ে রায়ান বেশি কার্যকরি। কেননা এনদ্রিক মূলত সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

তবে আনচেলত্তি ম্যাচের ৮২ মিনিটের মাথায় রায়ানের বদলি হিসেবে এনদ্রিককে মাঠে নামান। শেষ মুহূর্তে মাঠে নেমে এদিন প্রতিপক্ষের গোলে কোনো শট নিতে পারেননি তরুণ এই ফরোয়ার্ড।

১২ টি টাচের পাশাপাশি ফাইনাল থার্ডে মাত্র একটি পাস খেলেন তিনি। এছাড়া এই কয়েক মিনিটে তিনি ৮ টি পাস করেন, যার সবগুলোই সফল ছিলো। এছাড়া গোল বা অ্যাসিস্ট কিছুই করতে পারেননি তিনি।

তবে এনদ্রিকের মাঠে নামার আগেই ব্রাজিলের জয় একরকম নিশ্চিত হয়ে যায়। প্রথমার্ধে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জোড়া গোল এগিয়ে যায় ব্রাজিল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে এনদ্রিক মাঠে নামার আগেই মাথেউস কুনহা ৬০ মিনিটের মাথায় আরেকটি গোল করে কফিনের শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন। এর মাধ্যমে ৩-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে গ্রুপ ‘সি’ এর গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেয়।

আরএএইচইউএল/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow