কোথাও সড়কের পাশে কোথাও নদীর ধারে ময়লার স্তূপে অতিষ্ঠ পৌরবাসী

নির্দিষ্ট স্থান নেই, নেই ডাম্পিং স্টেশন। তাই বাধ্য হয়ে নদী ঘেঁষে মহাসড়কের পাশে ও গলির মুখে স্তূপ করে ফেলা হচ্ছে ময়লা। এসব ময়লায় পরিবেশ দূষণতো হচ্ছেই, পাশাপাশি ছড়াচ্ছে রোগ-জীবাণু। তার সঙ্গে নদীতেও বাড়ছে দূষণ। ময়লা আবর্জনার এমন অসহনীয় দুর্গন্ধ বছরের পর বছর সহ্য করতে হচ্ছে দাউদকান্দি পৌরসভা নাগরিকদের। জানা গেছে, ১৯৯৮ সালে দাউদকান্দি পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি একটি তৃতীয় শ্রেণির পৌরসভা। প্রায় ১৩ দশমিক ১৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই পৌরসভায় প্রায় লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। পৌর এলাকায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ টন বর্জ্য তৈরি হয়। কিন্তু পৌরসভা প্রতিষ্ঠার ২৮ বছরেও নির্মাণ করা হয়নি বর্জ্য পরিশোধনাগার কিংবা ডাম্পিং স্টেশন। ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট স্থান কিংবা ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে, কখনো গোমতী নদীতে আবার কখনো পরিত্যক্ত উন্মুক্ত স্থানে ফেলা হচ্ছে প্রতিদিনের ময়লা। আর এই ময়লার দুর্গন্ধে ভোগান্তিতে পড়েন পথচারীরা। রোগ-জীবাণু ছড়িয়ে হুমকির মুখে পড়ছে পৌরসভার পরিবেশ। সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌর বাজারে গোমতী নদীর কেরাসিন ঘাট সংলগ্ন, তুজারভাঙ্গা, দোনারচর, বলদাখাল, দক্ষিণ সতানন্দী, বাড়াগ

কোথাও সড়কের পাশে কোথাও নদীর ধারে ময়লার স্তূপে অতিষ্ঠ পৌরবাসী

নির্দিষ্ট স্থান নেই, নেই ডাম্পিং স্টেশন। তাই বাধ্য হয়ে নদী ঘেঁষে মহাসড়কের পাশে ও গলির মুখে স্তূপ করে ফেলা হচ্ছে ময়লা। এসব ময়লায় পরিবেশ দূষণতো হচ্ছেই, পাশাপাশি ছড়াচ্ছে রোগ-জীবাণু। তার সঙ্গে নদীতেও বাড়ছে দূষণ। ময়লা আবর্জনার এমন অসহনীয় দুর্গন্ধ বছরের পর বছর সহ্য করতে হচ্ছে দাউদকান্দি পৌরসভা নাগরিকদের।

জানা গেছে, ১৯৯৮ সালে দাউদকান্দি পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি একটি তৃতীয় শ্রেণির পৌরসভা। প্রায় ১৩ দশমিক ১৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই পৌরসভায় প্রায় লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। পৌর এলাকায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ টন বর্জ্য তৈরি হয়। কিন্তু পৌরসভা প্রতিষ্ঠার ২৮ বছরেও নির্মাণ করা হয়নি বর্জ্য পরিশোধনাগার কিংবা ডাম্পিং স্টেশন। ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট স্থান কিংবা ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে, কখনো গোমতী নদীতে আবার কখনো পরিত্যক্ত উন্মুক্ত স্থানে ফেলা হচ্ছে প্রতিদিনের ময়লা। আর এই ময়লার দুর্গন্ধে ভোগান্তিতে পড়েন পথচারীরা। রোগ-জীবাণু ছড়িয়ে হুমকির মুখে পড়ছে পৌরসভার পরিবেশ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌর বাজারে গোমতী নদীর কেরাসিন ঘাট সংলগ্ন, তুজারভাঙ্গা, দোনারচর, বলদাখাল, দক্ষিণ সতানন্দী, বাড়াগাও মাইজপাড়াসহ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের একাধিক স্থানে ফেলা হচ্ছে বাসাবাড়ি থেকে সংগ্রহ করা এসব ময়লা। উন্মুক্ত স্থানে এসব ময়লার স্তূপে খাবারের সন্ধানে শালিক, কাক, বিড়াল, কুকুর বিচরণ করে।

কোথাও সড়কের পাশে কোথাও নদীর ধারে ময়লার স্তূপে অতিষ্ঠ পৌরবাসী

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বেশ কিছুদিন পৌরসভার সব ময়লা নদীর পাশে এনে ফেলা হচ্ছে। দুর্গন্ধে এখানে বসবাস করাই কষ্টকর। যাওয়ার কোনো জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে এখানে থাকছেন তারা। নদীর পানিও এখন দূষিত হয়ে গেছে। আর এখানে ময়লা ফেলায় তাদের খুব ক্ষতি হচ্ছে। নদীর পাশে বিভিন্ন পণ্যবাহী নৌযানের মালামাল খালাস করা হয়। এখানে প্রতিদিন শত শত দিনমজুর কাজ করেন।

তারা বলেন, পৌরসভায় বর্জ্য শোধনাগার না থাকায় সব ময়লা নদীতে ফেলা হচ্ছে। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নদীও দূষণ হচ্ছে। এর ফলে নদীতে মাছের আধিক্য কমে গেছে। এই নদীর উপকূলের লোকজন এই পানি ব্যবহার করতে পারছেন না।

এ বিষয়ে দাউদকান্দি পৌর প্রশাসক রেদওয়ান ইসলাম বলেন, আমি শুনেছি আগে নদীতে বর্জ্য ফেলা হতো। গত কয়েক মাসে এখান থেকে অনেক বর্জ্য সরিয়েছি। আর প্রত্যেক পৌরসভায় সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র থাকতে হয়। আমরা দ্রুতই সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য জমি ক্রয় বা অধিগ্রহণ করে পৌরসভার নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র স্থাপন করার উদ্যোগ নেবো।

এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow