কোনো নেতার ভাষণ বাজানোর জন্য হয়রানি করা উচিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কোনো নেতার ভাষণ বাজানো বা শোনানোর কারণে কাউকে হয়রানি করা উচিত নয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণকে কেন্দ্র করে কেউ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটাক এমনটি চান না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আশা করছি কোনো নেতার ভাষণকে কেন্দ্র করে কেউ এমন (অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা) করবে আমরা সেটি চাইনি। বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ আয়োজিত সংলাপে এসব কথা বলেন তিনি। ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫: নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক রেহমান সোবহান, সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, মানবাধিকার কর্মী খুশী কবির, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, নাগ

কোনো নেতার ভাষণ বাজানোর জন্য হয়রানি করা উচিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কোনো নেতার ভাষণ বাজানো বা শোনানোর কারণে কাউকে হয়রানি করা উচিত নয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণকে কেন্দ্র করে কেউ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটাক এমনটি চান না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আশা করছি কোনো নেতার ভাষণকে কেন্দ্র করে কেউ এমন (অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা) করবে আমরা সেটি চাইনি।

বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ আয়োজিত সংলাপে এসব কথা বলেন তিনি। ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫: নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক রেহমান সোবহান, সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, মানবাধিকার কর্মী খুশী কবির, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান প্রমুখ।

আরও পড়ুন
স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার কে হবেন, ঠিক করবেন তারেক রহমান 
বিরোধীদলীয় নেতার সম্মতি পেলে চিঠি প্রকাশ করতে চায় মন্ত্রণালয় 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফজলু ভাই (সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান) যেটি বলেছেন, এখনো একটি বক্তৃতার বিষয় নিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। আমি এগুলোর কোনো জবাব দিতে চাই না। আমাদের যে সামাজিক পরিস্থিতি ও পলিটিক্যাল কালচার, এটিকে আমরা ক্রমান্বয়ে উন্নত করার চেষ্টা করবো। কিন্তু ওভারনাইট এই পলিটিক্যাল কালচারে শতভাগ ডেমোক্রেটিক কালচারে আসতে পারিনি। আপনি যেটা আশা করছেন, সেটি ইনশাআল্লাহ একদিন আমরা পারবো। কিন্তু সেটির জন্য আমাদের সময় লাগবে। আমরা শতভাগ ডেমোক্রেটিক কালচারে আসতে চাই।

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা বিভিন্ন অধ্যাদেশের অধিকাংশই সরকার গ্রহণ করবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, এসব অধ্যাদেশের কিছু হয়তো হুবহু গ্রহণ করা হবে, আবার কিছু ক্ষেত্রে সংশোধন এনে সংসদে বিল আকারে পাস করা হবে।

অন্তবর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, কোনো কিছু ইম্পোজ করা, জবরদস্তি করা জাতির জন্যে ভালো ফল নিয়ে আসে না। অন্তর্বর্তী সরকারের অনেকগুলো অধ্যাদেশ আমরা পাস করতে পারবো। আমরা তাদের অনেকগুলো অধ্যাদেশ গ্রহণ করতে পারবো। আবার কিছু নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতে হবে। কারণ ৩০ কার্যদিবস নয়, ৩০ দিনের মধ্যে এগুলো পাস করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, যেগুলো পারবো না ল্যাপস হয়ে যাবে। পরবর্তী সেশনে আমরা বিল আকারে সেগুলো উত্থাপন করবো।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশটিও সংসদে আলোচনায় আসবে। তিনি বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মানের কাছাকাছি পৌঁছাক। তবে বাস্তবতা বিবেচনায় আমাদের কিছুটা সময় ও সুযোগ দরকার।

ইএইচটি/কেএসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow