কোরবানির হাট কাঁপাবে ‘সম্রাট’
এবার কোরবানির হাট কাঁপাবে দিনাজপুরের ‘সম্রাট’ নামের একটি ষাঁড়। ফুলবাড়ী উপজেলার মধ্যদুর্গাপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করেছেন সুঠাম দেহের ‘দিনাজপুরের সম্রাট’ নামের এই ষাঁড়কে। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার অদূরে মধ্যদুর্গাপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের এই ধূসর রঙের ষাঁড়টির শরীরের দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুট, উচ্চতা ৫ ফুট এবং ওজন ২৭ মণ। ষাঁড়টির মালিক আব্দুর রাজ্জাক আশা করছেন, ১২ লাখ টাকায় তার পালিত সম্রাটকে বিক্রি করতে পারবেন। বিশাল আকৃতির ষাঁড়টি দেখার জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার ক্রেতাসহ দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন তার বাড়িতে। খামারের মালিক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নিজ বাড়িতে খামার তৈরি করে দেশীয় পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক খাবারে শান্ত স্বভাবের শাহী ওয়াল ফ্রিজিয়ান ক্রস জাতের এই ষাড়কে লালন পালন করা হয়েছে। শুধু সম্রাট নয়, উন্নত জাতের আরও ১০টি গরু লালন-পালন করছেন। নিজ ব্যবসার পাশাপাশি শখের বসে গরুর খামার করে লালন পালন করছেন। জন্মের পর সম্রাটকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খড়, ঘাস, ছোলা, মসুরের ডাল ও ভুসি, ভুট্টার আটা, চোপড়, খুদের ভাত, খইল, ধানের গুঁড়া ও চিটা গুড় খাইয়ে লালন-
এবার কোরবানির হাট কাঁপাবে দিনাজপুরের ‘সম্রাট’ নামের একটি ষাঁড়। ফুলবাড়ী উপজেলার মধ্যদুর্গাপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করেছেন সুঠাম দেহের ‘দিনাজপুরের সম্রাট’ নামের এই ষাঁড়কে।
উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার অদূরে মধ্যদুর্গাপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের এই ধূসর রঙের ষাঁড়টির শরীরের দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুট, উচ্চতা ৫ ফুট এবং ওজন ২৭ মণ।
ষাঁড়টির মালিক আব্দুর রাজ্জাক আশা করছেন, ১২ লাখ টাকায় তার পালিত সম্রাটকে বিক্রি করতে পারবেন। বিশাল আকৃতির ষাঁড়টি দেখার জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার ক্রেতাসহ দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন তার বাড়িতে।
খামারের মালিক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নিজ বাড়িতে খামার তৈরি করে দেশীয় পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক খাবারে শান্ত স্বভাবের শাহী ওয়াল ফ্রিজিয়ান ক্রস জাতের এই ষাড়কে লালন পালন করা হয়েছে। শুধু সম্রাট নয়, উন্নত জাতের আরও ১০টি গরু লালন-পালন করছেন। নিজ ব্যবসার পাশাপাশি শখের বসে গরুর খামার করে লালন পালন করছেন। জন্মের পর সম্রাটকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খড়, ঘাস, ছোলা, মসুরের ডাল ও ভুসি, ভুট্টার আটা, চোপড়, খুদের ভাত, খইল, ধানের গুঁড়া ও চিটা গুড় খাইয়ে লালন-পালন করছেন। মাঝে-মধ্যে কাঁচাকলা, গাজর, আপেল, কাঁঠাল, পাতা কপিসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফলও খাওয়ানো হয়। এতে প্রতিদিন খরচ হয় ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা। থাকার জায়গায় ২৪ ঘণ্টা ফ্যান দেওয়া রয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকলে হাতপাখা দিয়েও সম্রাটকে বাতাস করতে হয়। প্রতিদিন ৩/৪ বার গোসল করাতে হয়। নিজের সন্তানের মতো করে অনেক যত্নে সম্রাটকে লালন-পালন করেছেন।
রাজ্জাকের ছোট ভাই মাহাবুব রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা বলেন, ‘সন্তানের মতো সম্রাটকে লালন-পালন করা হচ্ছে। পরিবারের সবাই মিলে সেবা যত্ন দিয়ে তাকে বড় করা হয়েছে। সম্রাট নামে ডাক দিলে ষাঁড়টি সাড়া দেয় এবং ঘুরে তাকায়।
খামারে প্রায় দুই বছর আগে শাহিওয়াল জাতের গাভি থেকে জন্ম নেয় এই সম্রাট’। শাহিওয়াল জাতের ষাঁড়টিকে সম্রাটের মতোই লালন-পালন করেছেন বলে ভালোবেসে নাম রেখেছেন ‘দিনাজপুরের সম্রাট’। বিশাল আকৃতির ষাঁড়টি হাটে আনা-নেওয়া করা কষ্টকর, তাই বাড়ি থেকেই সম্রাটকে বিক্রি করতে চান বলে জানান মালিক রাজ্জাক।
What's Your Reaction?