ক্রিকেটার নাঈমের বাসায় গিয়ে দুঃখ প্রকাশ সিএমপি কমিশনারের

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে আটক ও হেনস্তার অভিযোগের ঘটনায় তার বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। এ সময় তিনি ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। শনিবার (১৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের চান্দগাঁও থানার ফরিদার পাড়া এলাকায় নাঈমের বাসায় যান সিএমপি কমিশনার। তার সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী ছিলেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশ একটি পেশাদার বাহিনী। কেউ যদি অপেশাদার আচরণ করে, সেই দায় পুলিশ বিভাগ নেবে না। ব্যক্তিগতভাবে তাকে দায় বহন করতে হবে। তদন্তে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আরও পড়ুন ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর করে থানায় নেওয়ার ঘটনায় পুলিশের সোর্স গ্রেফতার নাঈম হাসানের অভিযোগ, শুক্রবার দিনগত রাত একটার দিকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পর বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসায় ফিরছিলেন তিনি। পথে নগরের লালখান বাজার এলাকায় পুলিশের একটি দল তাদের গাড়ি থামায়। প্রথমে ব্যাগ তল্লাশির কথা বলা

ক্রিকেটার নাঈমের বাসায় গিয়ে দুঃখ প্রকাশ সিএমপি কমিশনারের

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে আটক ও হেনস্তার অভিযোগের ঘটনায় তার বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। এ সময় তিনি ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

শনিবার (১৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের চান্দগাঁও থানার ফরিদার পাড়া এলাকায় নাঈমের বাসায় যান সিএমপি কমিশনার। তার সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী ছিলেন।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশ একটি পেশাদার বাহিনী। কেউ যদি অপেশাদার আচরণ করে, সেই দায় পুলিশ বিভাগ নেবে না। ব্যক্তিগতভাবে তাকে দায় বহন করতে হবে। তদন্তে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

নাঈম হাসানের অভিযোগ, শুক্রবার দিনগত রাত একটার দিকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পর বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসায় ফিরছিলেন তিনি। পথে নগরের লালখান বাজার এলাকায় পুলিশের একটি দল তাদের গাড়ি থামায়। প্রথমে ব্যাগ তল্লাশির কথা বলা হলেও পরে তাকে ‘আসামি’ বলে গাড়িতে তুলতে চেষ্টা করা হয়।

নাঈম দাবি করেন, একপর্যায়ে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে মারধর করেন। তার ভাষ্য, পরিচয়পত্র ও ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম সঙ্গে থাকা সত্ত্বেও পুলিশ সদস্যরা তার পরিচয় আমলে নেননি।

পরে তাকে খুলশী থানায় নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন নাঈম। সেখানে বিভিন্নজনের হস্তক্ষেপের পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় খুলশী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, কনস্টেবল রাসেল চৌধুরী ও পুলিশের সোর্স পরিচয়ধারী সোহেলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার পর সোহেলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সিএমপি সূত্র জানায়, এসআই শফিকুল ও কনস্টেবল রাসেলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও শুরু হয়েছে। তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিএমপি কমিশনার।

নাঈমের পরিবারের সদস্যরা কমিশনারের কাছে অভিযোগ করেন, পুলিশি গাড়ির পরিবর্তে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তাকে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি রহস্যজনক। এ বিষয়ে কমিশনার বলেন, পুরো ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

ঘটনা তদন্তে এরই মধ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে সিএমপি। কমিশনার বলেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।

এমআরএএইচ/কেএসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow