‘ক্রিকেট বোর্ড কোনো গ্রুপের না, বাংলাদেশ ক্রিকেট জনগণের’

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটির মাধ্যমে। সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন এই কমিটির মেয়াদ শেষ হবে আসন্ন নির্বাচনের পর। আগামী ৭ জুনের নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন পরিচালনা পর্ষদ দায়িত্ব নেবে দেশের ক্রিকেটের। এর আগে ক্রিকেটে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ক্রিকেটারদের কল্যাণ নিয়ে নিজের ভাবনা জানিয়েছেন বিসিবির ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান ও অ্যাডহক কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু। বিসিবির ‘চার-ছক্কা’ পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘(স্থিরতা) আসছে কিনা বলা কঠিন তবে আসা দরকার। ক্রিকেট বোর্ডের কাজ কিন্তু খুবই সহজ, প্লেয়ারদেরকে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়া। সাথে অবকাঠামো ঠিক করে দেওয়া, সাপোর্টটা দেওয়া। এই নীতি যদি ঠিক থাকে তাহলে ক্রিকেট বোর্ড হবে জনগণের ক্রিকেট বোর্ড। দিনশেষে ক্রিকেট বোর্ড তো কোনো গ্রুপের না। বাংলাদেশের ক্রিকেটটা জনগণের। সবাই ক্রিকেটকে ভালোবাসে, এটা আমাদের ডিএনএতে আছে।’ ক্রিকেটের ভবিষ্যত উন্নয়নে ধারাবাহিক নীতি ও আধুনিক অবকাঠামোর গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাঁ স্থিরতা আসা দরকার, পলিসি থাকা দরকার। ক্রিকেটারদের কাছে যেন প্রপা

‘ক্রিকেট বোর্ড কোনো গ্রুপের না, বাংলাদেশ ক্রিকেট জনগণের’

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটির মাধ্যমে। সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন এই কমিটির মেয়াদ শেষ হবে আসন্ন নির্বাচনের পর। আগামী ৭ জুনের নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন পরিচালনা পর্ষদ দায়িত্ব নেবে দেশের ক্রিকেটের।

এর আগে ক্রিকেটে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ক্রিকেটারদের কল্যাণ নিয়ে নিজের ভাবনা জানিয়েছেন বিসিবির ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান ও অ্যাডহক কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু। বিসিবির ‘চার-ছক্কা’ পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘(স্থিরতা) আসছে কিনা বলা কঠিন তবে আসা দরকার। ক্রিকেট বোর্ডের কাজ কিন্তু খুবই সহজ, প্লেয়ারদেরকে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়া। সাথে অবকাঠামো ঠিক করে দেওয়া, সাপোর্টটা দেওয়া। এই নীতি যদি ঠিক থাকে তাহলে ক্রিকেট বোর্ড হবে জনগণের ক্রিকেট বোর্ড। দিনশেষে ক্রিকেট বোর্ড তো কোনো গ্রুপের না। বাংলাদেশের ক্রিকেটটা জনগণের। সবাই ক্রিকেটকে ভালোবাসে, এটা আমাদের ডিএনএতে আছে।’

ক্রিকেটের ভবিষ্যত উন্নয়নে ধারাবাহিক নীতি ও আধুনিক অবকাঠামোর গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাঁ স্থিরতা আসা দরকার, পলিসি থাকা দরকার। ক্রিকেটারদের কাছে যেন প্রপার সুযোগ-সুবিধা, অবকাঠামো থাকে। আমাদের যাত্রাটা অনেক লম্বা, তবে ওই তুলনায় কি আমাদের ট্রেনিং অবকাঠামোগুলো উন্নত করতে পেরেছি? না পারিনি। ফলে আমরা এটা মেনে নিয়ে সামনে আগাতে চাই। আমাদের আরও ভালো অবকাঠামো দরকার, একাডেমি দরকার। সাথে খেলা মাঠে গড়াতে হবে। অনেক জায়গায় অনেক বছর ধরে লিগ হচ্ছে না। যদি খেলাই না হয় প্লেয়ার আসবে কোথা থেকে, পাইপলাইন আসবে কোথা থেকে? খেলা হতে হবে, বিভাগীয় ক্রিকেট, লিগগুলো হতে হবে। খেলার জন্য আবার মাঠও লাগবে। বিসিবির একটা বড় দায়িত্ব মাঠগুলো, সুযোগ-সুবিধাগুলো উন্নত করা যেন খেলা হতে পারে। এগুলো সব একটা আরেকটার সঙ্গে সংযুক্ত।’

শুধু অবকাঠামো নয়, ক্রিকেটারদের আর্থিক নিরাপত্তাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন খসরু। বিশেষ করে বিপিএলের বকেয়া পরিশোধে বর্তমান বোর্ডের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা আসার পর বিপিএলের অনেক বকেয়া ছিল। আমরা নিজেরা অ্যাকশন নিয়ে এগুলো ক্লিয়ার করার চেষ্টা করেছি যে না, দিতে হবে প্লেয়ারদের। প্লেয়ারদের বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে সামনে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাদের যেটা ভাগ, যেটা দরকার তা দিতে হবে।’

ক্রিকেটারদের প্রতি বোর্ডের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘খেলোয়াড়রা যখন দেখছে বোর্ড সাপোর্ট করছে, তারা আরও অনুপ্রাণিত হচ্ছে। আমার কাজ আমি পারফর্ম করব, আমি ফুল সাপোর্ট পাচ্ছি। তাদের আর কোনো কিছু নিয়ে চিন্তা করতে হয় না, তারা কেবল পারফর্ম করে যাবে। তাদের অন্য কোনও চিন্তা নেই। আমাদের কাজ হচ্ছে প্রোভাইড করা। কোনও ক্ষেত্রে সমস্যা থাকলে আমাদের এসে বলবে, যে এটা লাগবে। আমাদের গিয়ে বোঝা উচিত (তাদের কী লাগবে)। কী সমস্যা হচ্ছে, চেষ্টা করবে সেগুলো সমাধান করা।’

নির্বাচনের আগে বর্তমান বোর্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের এই মন্তব্যগুলো দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যত পরিকল্পনা ও অগ্রাধিকার সম্পর্কে একটি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে।

এসকেডি/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow