ক্রীড়া উন্নয়নে পথনকশা তৈরি করবে বাংলাদেশ ও চীন

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক ৪ দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে চীনের সানিয়ায় অবস্থান করছেন। এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ৬ষ্ঠ এশিয়ান বিচ গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া। সফরের প্রথম দিন প্রতিমন্ত্রী হাইনান প্রদেশের ভাইস গভর্নর এইচ. ই. ঝি জিং, পর্যটন ও ক্রীড়া দপ্তরের মহাপরিচালক চেন তিয়েজুন এবং সানিয়া সিটির ভাইস মেয়র ফ্যান ওয়েইঝেংয়ের সাথে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া কূটনীতি এবং পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল সার্ফিং, শুটিং, ভলিবল এবং টেবিল টেনিসের মতো খেলাগুলোতে কারিগরি সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা। এ সময় উভয় দেশ উন্নত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে দক্ষ কোচ এবং আধুনিক প্রযুক্তি বিনিময়ের বিষয়ে একমত পোষণ করেন। বাংলাদেশের ক্রীড়া খাতের প্রতিভা অন্বেষণে বিকেএসপিসহ বিভিন্ন ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য চীনে উচ্চতর বৃত্তির সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়েও কার্যকর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের ক্রীড়া উন্নয়নের পথনকশা তৈরিতে সমঝোতা স্মারক ও দ

ক্রীড়া উন্নয়নে পথনকশা তৈরি করবে বাংলাদেশ ও চীন

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক ৪ দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে চীনের সানিয়ায় অবস্থান করছেন। এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ৬ষ্ঠ এশিয়ান বিচ গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া।

সফরের প্রথম দিন প্রতিমন্ত্রী হাইনান প্রদেশের ভাইস গভর্নর এইচ. ই. ঝি জিং, পর্যটন ও ক্রীড়া দপ্তরের মহাপরিচালক চেন তিয়েজুন এবং সানিয়া সিটির ভাইস মেয়র ফ্যান ওয়েইঝেংয়ের সাথে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন।

আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া কূটনীতি এবং পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল সার্ফিং, শুটিং, ভলিবল এবং টেবিল টেনিসের মতো খেলাগুলোতে কারিগরি সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা।

এ সময় উভয় দেশ উন্নত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে দক্ষ কোচ এবং আধুনিক প্রযুক্তি বিনিময়ের বিষয়ে একমত পোষণ করেন। বাংলাদেশের ক্রীড়া খাতের প্রতিভা অন্বেষণে বিকেএসপিসহ বিভিন্ন ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য চীনে উচ্চতর বৃত্তির সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়েও কার্যকর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দুই দেশের ক্রীড়া উন্নয়নের পথনকশা তৈরিতে সমঝোতা স্মারক ও দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। একটি বিশেষ অর্জনের দিক হিসেবে চীনের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের ক্রিকেটীয় সাফল্যের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশ থেকে অভিজ্ঞ ক্রিকেট কোচ নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এছাড়া বৈঠকে তৃণমূল পর্যায়ে নারী খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং প্যারা স্পোর্টস বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের জন্য সুযোগ-সুবিধা ও প্রশিক্ষণ বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর এই চীন সফর চলবে। এই সফর বাংলাদেশ ও চীনের ক্রীড়া সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক।

আরআই/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow