‘ক্রেতা কম বাজারে, তারপরও সবজির দাম কমছে না’

ঈদুল ফিতরের টানা সাতদিনের ছুটি শেষ হচ্ছে আজ। তবে এখনো অনেকেই রাজধানীতে ফেরেননি। আবার কেউ কেউ ঈদের পরও ঢাকা ছাড়ছেন। তবে মানুষের উপস্থিতি কমলেও কমেনি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে এখনো সবজির দাম তুলনামূলক চড়া। কোথাও ৬০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। ঈদের তৃতীয় দিন সোমবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর মগবাজার চারুলতা মার্কেট, মধুবাগ কাঁচাবাজার, রামপুরা কাঁচাবাজার, মালিবাগ কাঁচাবাজার, মালিবাগ রেললাইন সংলগ্ন বাজার, শান্তিবাগ কাঁচাবাজার ও শাহজাহানপুর-খিলগাঁও কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় এবং জালি কুমড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। প্রতি কেজি কালো বেগুন ১১০ থেকে ১২০ টাকা, গোল সাদা বেগুন ১০০ টাকা, করলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, উচ্ছে ১০০ টাকা এবং সিম ও পটল ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সজনে ডাটা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায়। সালাদের উপকরণের মধ্যে টমেটো প্রতি কেজি ৮০ টাকা এবং শসা ৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ধনিয়া পাতা বিক্রি হচ্ছে ১৬০

‘ক্রেতা কম বাজারে, তারপরও সবজির দাম কমছে না’

ঈদুল ফিতরের টানা সাতদিনের ছুটি শেষ হচ্ছে আজ। তবে এখনো অনেকেই রাজধানীতে ফেরেননি। আবার কেউ কেউ ঈদের পরও ঢাকা ছাড়ছেন। তবে মানুষের উপস্থিতি কমলেও কমেনি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে এখনো সবজির দাম তুলনামূলক চড়া। কোথাও ৬০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না।

ঈদের তৃতীয় দিন সোমবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর মগবাজার চারুলতা মার্কেট, মধুবাগ কাঁচাবাজার, রামপুরা কাঁচাবাজার, মালিবাগ কাঁচাবাজার, মালিবাগ রেললাইন সংলগ্ন বাজার, শান্তিবাগ কাঁচাবাজার ও শাহজাহানপুর-খিলগাঁও কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় এবং জালি কুমড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। প্রতি কেজি কালো বেগুন ১১০ থেকে ১২০ টাকা, গোল সাদা বেগুন ১০০ টাকা, করলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, উচ্ছে ১০০ টাকা এবং সিম ও পটল ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

jagonews24

এছাড়া সজনে ডাটা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায়। সালাদের উপকরণের মধ্যে টমেটো প্রতি কেজি ৮০ টাকা এবং শসা ৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ধনিয়া পাতা বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি দরে।

মাংসের বাজারেও রয়েছে চড়া দাম। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা দরে। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩৫০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২১০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের বাজারে প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। আর সাদা ডিম ১০০ টাকায় এবং হাঁসের ডিম ২২০ থেকে ২৩‍০ টাকায়।

মাছের বাজারেও তেমন পরিবর্তন নেই। পোয়া মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা এবং রুই মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া ছোট আকারের গলদা চিংড়ি ১ হাজার টাকা এবং বড় আকারের গলদা চিংড়ি ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। টেংরা মাছ ৭০০ টাকা এবং পাবদা মাছ ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

jagonews24

মালিবাগ কাঁচাবাজারের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, ঈদের পর পাইকারি বাজারে সবজির সরবরাহ কিছুটা কমেছে। ফলে যে পণ্য আসছে তার দাম বেশি পড়ছে। সে কারণে খুচরা বাজারেও দাম বেড়েছে। আমরা অতিরিক্ত লাভ করছি না, স্বাভাবিক লাভেই বিক্রি করছি। কাঁচা সবজি বেশিদিন সংরক্ষণ করাও সম্ভব হয় না।

তবে বিক্রেতাদের এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন ক্রেতা আয়েশা খাতুন। তিনি বলেন, বাজারে পণ্যের কোনো সংকট নেই, বরং ক্রেতাই কম। বাজারে হাতে গোনা কয়েকজন ক্রেতা দেখা যাচ্ছে। তারপরও সবজির দাম কমছে না। মাছ, মাংস ও মুরগির দামও আগের মতোই চড়া রয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ইএআর/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow