ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি সহায়তা

ব্যবসা ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের পুনর্গঠনে নতুন নীতি সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংক ও স্টেকহোল্ডারদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঋণ পুনঃতফসিল ও এক্সিট সুবিধা সহজ করতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৭/২০২৫ এবং সার্কুলার লেটার নং-২৬/২০২৫ এর আওতায় ঋণ পুনঃতফসিল বা এক্সিট সুবিধার ক্ষেত্রে গ্রাহকের আবেদনের ভিত্তিতে নির্ধারিত ডাউন পেমেন্টের ৫০ শতাংশ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা যাবে। বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর তারিখ থেকে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে আদায়ের সুযোগ থাকবে। আর যেসব ক্ষেত্রে এরই মধ্যে নীতি সহায়তা দেওয়া হয়েছে কিন্তু যৌক্তিক কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি, সেসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান পূর্ব নির্ধারিত সময়সীমার অতিরিক্ত আরও তিন মাস সময় বৃদ্ধি করতে পারবে। সুদ মওকুফ সংক্রান্ত কোনো বিষয় বিবেচনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বিদ্যমান

ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি সহায়তা

ব্যবসা ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের পুনর্গঠনে নতুন নীতি সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংক ও স্টেকহোল্ডারদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঋণ পুনঃতফসিল ও এক্সিট সুবিধা সহজ করতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৭/২০২৫ এবং সার্কুলার লেটার নং-২৬/২০২৫ এর আওতায় ঋণ পুনঃতফসিল বা এক্সিট সুবিধার ক্ষেত্রে গ্রাহকের আবেদনের ভিত্তিতে নির্ধারিত ডাউন পেমেন্টের ৫০ শতাংশ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা যাবে। বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর তারিখ থেকে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে আদায়ের সুযোগ থাকবে।

আর যেসব ক্ষেত্রে এরই মধ্যে নীতি সহায়তা দেওয়া হয়েছে কিন্তু যৌক্তিক কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি, সেসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান পূর্ব নির্ধারিত সময়সীমার অতিরিক্ত আরও তিন মাস সময় বৃদ্ধি করতে পারবে।

সুদ মওকুফ সংক্রান্ত কোনো বিষয় বিবেচনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বিদ্যমান নীতিমালার আওতায় ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ সিদ্ধান্তে আর্থিকভাবে চাপে থাকা অনেক প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধারের সুযোগ পাবে এবং খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনাতেও কিছুটা গতি আসবে।

ইএআর/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow