ক্ষমতার একমাত্র কেন্দ্র আমি: প্রথম ভাষণেই ঝড় তুললেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়
চেন্নাইয়ের রাজকীয় শপথ অনুষ্ঠান শেষে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিজের প্রথম ভাষণেই বড় পরিবর্তনের ডাক দিলেন সি জোসেফ বিজয়। রোববার (১০ মে) দায়িত্ব গ্রহণের পর জনতার উদ্দেশে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি নিজেকে একজন ‘সাধারণ মানুষ’ হিসেবে পরিচয় দেন। বিজয়ের দাবি, তার কোনো রাজকীয় বংশমর্যাদা বা পারিবারিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নেই—আর এই সাধারণ শিকড় থেকে উঠে আসাই তার প্রতি মানুষের ভালোবাসার প্রধান কারণ। জনপ্রিয় অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বিজয় বলেন, তিনি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণকে প্রতারণা করতে চান না। বরং তামিলনাড়ুতে ‘প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষ ও সামাজিক ন্যায়বিচারের এক নতুন যুগ’ শুরু করতে তিনি বদ্ধপরিকর। আরও পড়ুন>>মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ইতিহাস গড়লেন বিজয়মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বিজয়ের নির্দেশ, ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ফ্রিবিজয়ের দলে ৯৩ বিধায়কই নতুন মুখ, রয়েছেন ২৮ বছর বয়সীও ভাষণে তিনি এক নতুন রাজনৈতিক দর্শনের অবতারণা করেন, যা প্রচলিত ধারার চেয়ে আলাদা হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। তবে নিজের কাজের দক্ষতা প্রমাণের জন্য তিনি জনগণের কাছে কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছেন। বক্তব্যের একপর্যায়ে কঠোর ও আত্মপ্রত্যয়ী সুরে বি
চেন্নাইয়ের রাজকীয় শপথ অনুষ্ঠান শেষে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিজের প্রথম ভাষণেই বড় পরিবর্তনের ডাক দিলেন সি জোসেফ বিজয়। রোববার (১০ মে) দায়িত্ব গ্রহণের পর জনতার উদ্দেশে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি নিজেকে একজন ‘সাধারণ মানুষ’ হিসেবে পরিচয় দেন।
বিজয়ের দাবি, তার কোনো রাজকীয় বংশমর্যাদা বা পারিবারিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নেই—আর এই সাধারণ শিকড় থেকে উঠে আসাই তার প্রতি মানুষের ভালোবাসার প্রধান কারণ।
জনপ্রিয় অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বিজয় বলেন, তিনি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণকে প্রতারণা করতে চান না। বরং তামিলনাড়ুতে ‘প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষ ও সামাজিক ন্যায়বিচারের এক নতুন যুগ’ শুরু করতে তিনি বদ্ধপরিকর।
আরও পড়ুন>>
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ইতিহাস গড়লেন বিজয়
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বিজয়ের নির্দেশ, ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ফ্রি
বিজয়ের দলে ৯৩ বিধায়কই নতুন মুখ, রয়েছেন ২৮ বছর বয়সীও
ভাষণে তিনি এক নতুন রাজনৈতিক দর্শনের অবতারণা করেন, যা প্রচলিত ধারার চেয়ে আলাদা হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। তবে নিজের কাজের দক্ষতা প্রমাণের জন্য তিনি জনগণের কাছে কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছেন।
বক্তব্যের একপর্যায়ে কঠোর ও আত্মপ্রত্যয়ী সুরে বিজয় ঘোষণা করেন, ‘সরকারে আমি ছাড়া আর কোনো ক্ষমতার কেন্দ্র থাকবে না। আমিই হব ক্ষমতার একমাত্র কেন্দ্রবিন্দু।’ এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট করে দিলেন যে, তার সরকারের যাবতীয় নীতি ও কাজের জন্য তিনি নিজেই সরাসরি দায়বদ্ধ থাকবেন এবং প্রশাসনের ওপর তার নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ‘ক্ষমতার একটি মাত্র কেন্দ্র’ থাকার ঘোষণা দিয়ে বিজয় আদতে গতানুগতিক সিন্ডিকেট প্রথা ভেঙে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বার্তা দিয়েছেন। দীর্ঘ ছয় দশকের দ্রাবিড় রাজনীতির আধিপত্য ভাঙার পর বিজয়ের এই তেজস্বী ভাষণ তামিল রাজনীতিতে এক নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি
কেএএ/
What's Your Reaction?