ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণে পৃথক অধিদপ্তর গঠনের আশাবাদ

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণে একটি পৃথক অধিদপ্তর গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাজধানীর গুলশানে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সভায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর উন্নয়ন, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায় শুধু ভোট দিয়েই নয়, নির্বাচনে বিএনপির পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে। এজন্য তিনি তাদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের মাধ্যমে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সংসদের উচ্চ কক্ষেও তাদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে। মন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সন্তানদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং কম সুদে ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়ানো হবে। পাশাপাশি তাদের সার

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণে পৃথক অধিদপ্তর গঠনের আশাবাদ
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণে একটি পৃথক অধিদপ্তর গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাজধানীর গুলশানে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সভায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর উন্নয়ন, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায় শুধু ভোট দিয়েই নয়, নির্বাচনে বিএনপির পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে। এজন্য তিনি তাদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের মাধ্যমে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সংসদের উচ্চ কক্ষেও তাদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে। মন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সন্তানদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং কম সুদে ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়ানো হবে। পাশাপাশি তাদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে একটি পৃথক অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সরকার ইতিবাচকভাবে চিন্তা করবে। সভায় বিজন কান্তি সরকার বলেন, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর উন্নয়নে সরকারের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই। তিনি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারীদের নার্সিং পেশায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সভায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণ, উন্নয়ন ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা তাদের চাহিদা ও প্রত্যাশা তুলে ধরেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow