কয়েলের আগুনে পুড়ল ঘরবাড়ি ও গবাদিপশু
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের পূর্ব ফিলিপনগর কাচারিপাড়ায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক কৃষকের ঘরবাড়ি ও গবাদিপশু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে বাড়ির মালিক কৃষক জানবার আলী প্রামানিক ও প্রতিবেশী উকিল প্রামানিক দগ্ধ হয়েছেন। বর্তমানে তারা দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, জানবার আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, বাড়ির গোয়াল ঘরে জ্বালানো কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়, রাতের নির্জনতায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই বসতঘরের বিভিন্ন অংশ পুড়তে শুরু করে। এসময় পরিবারের সদস্যরা আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কৃষক জানবার আলীর ৪টি গরু ও একটি বাছুর, ৪টি ছাগল, একটি মোটরসাইকেল, দুটি পানিতোলা মোটর, ৮ মণ চাষকৃত তামাক এবং নগদ প্রায় ২ লাখ টাকাসহ বসতঘরের সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সবমিলিয়ে প্রায় ২০ থেকে ২২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের পূর্ব ফিলিপনগর কাচারিপাড়ায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক কৃষকের ঘরবাড়ি ও গবাদিপশু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
অগ্নিকাণ্ডে বাড়ির মালিক কৃষক জানবার আলী প্রামানিক ও প্রতিবেশী উকিল প্রামানিক দগ্ধ হয়েছেন। বর্তমানে তারা দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, জানবার আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, বাড়ির গোয়াল ঘরে জ্বালানো কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়, রাতের নির্জনতায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই বসতঘরের বিভিন্ন অংশ পুড়তে শুরু করে। এসময় পরিবারের সদস্যরা আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কৃষক জানবার আলীর ৪টি গরু ও একটি বাছুর, ৪টি ছাগল, একটি মোটরসাইকেল, দুটি পানিতোলা মোটর, ৮ মণ চাষকৃত তামাক এবং নগদ প্রায় ২ লাখ টাকাসহ বসতঘরের সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সবমিলিয়ে প্রায় ২০ থেকে ২২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক জানবার প্রামানিক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, পুড়তে পুড়তে সব শেষ হয়ে যেতে দেখেছি। আমার সব শেষ হয়ে গেছে। গরু-ছাগল, নগদ টাকা ও ঘরের জিনিস কিছুই বাঁচাতে পারিনি। এখন পরিবার নিয়ে কীভাবে বাঁচব বুঝতে পারছি না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনন্দ গুহ জানান, অগ্নিকাণ্ডে কৃষকের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তিনি জেনেছেন। সরকারিভাবে সহায়তা প্রদানের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।
কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর্থিক সহায়তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।
What's Your Reaction?