খতমে তারাবি আদায়ে যে আহ্বান জানাল ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পবিত্র রমজান মাসে সারা দেশের সব মসজিদে খতমে তারাবি নামাজ একই পদ্ধতিতে আদায়ের আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।  মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, রমজান মাসে দেশের সব মসজিদে অভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করে খতমে তারাবি আদায়ের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাবিত পদ্ধতি অনুযায়ী, রমজানের প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে মোট ৯ পারা এবং পরবর্তী ২১ দিনে প্রতিদিন ১ পারা করে তিলাওয়াতের মাধ্যমে খতমে তারাবি সম্পন্ন করার অনুরোধ করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, দেশের প্রায় সব মসজিদে খতমে তারাবির সময় নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াতের প্রচলন থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা যায়। এতে কর্মজীবী ও বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী মুসল্লিদের জন্য কোরআন খতমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অনেকের মধ্যে অপূর্ণতার অনুভূতি ও মানসিক চাপ তৈরি হয় এবং পূর্ণ খতমের সওয়াব থেকেও বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এমনভাবে তিলাওয়াত ভাগ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দ

খতমে তারাবি আদায়ে যে আহ্বান জানাল ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পবিত্র রমজান মাসে সারা দেশের সব মসজিদে খতমে তারাবি নামাজ একই পদ্ধতিতে আদায়ের আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। 

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, রমজান মাসে দেশের সব মসজিদে অভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করে খতমে তারাবি আদায়ের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাবিত পদ্ধতি অনুযায়ী, রমজানের প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে মোট ৯ পারা এবং পরবর্তী ২১ দিনে প্রতিদিন ১ পারা করে তিলাওয়াতের মাধ্যমে খতমে তারাবি সম্পন্ন করার অনুরোধ করা হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, দেশের প্রায় সব মসজিদে খতমে তারাবির সময় নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াতের প্রচলন থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা যায়। এতে কর্মজীবী ও বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী মুসল্লিদের জন্য কোরআন খতমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অনেকের মধ্যে অপূর্ণতার অনুভূতি ও মানসিক চাপ তৈরি হয় এবং পূর্ণ খতমের সওয়াব থেকেও বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এমনভাবে তিলাওয়াত ভাগ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে ১ পারা করে মোট ৩০ পারা তিলাওয়াত সম্পন্ন হয়।

এতে ২৭ রমজান রাতে, অর্থাৎ পবিত্র শবে কদরে কোরআন খতম করা সম্ভব হবে।

এ লক্ষ্যে দেশের সব মসজিদের খতিব, ইমাম, মসজিদ কমিটি ও মুসল্লিদের প্রতি নির্ধারিত সূরা ও আয়াত অনুসারে প্রতিদিন তিলাওয়াত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রথম তারাবি সুরা ফাতেহা ও সুরা বাকারার ১ আয়াত থেকে ২০৩ আয়াত পর্যন্ত, দ্বিতীয় তারাবি সুরা বাকারার ২০৪ আয়াত থেকে সুরা আলে ইমরানের ৯১ আয়াত পর্যন্ত, তৃতীয় তারাবি সুরা আলে ইমরানের ৯২ আয়াত থেকে সুরা নিসার ৮৭ আয়াত পর্যন্ত, চতুর্থ তারাবি সুরা নিসার ৮৮ আয়াত থেকে সুরা মায়িদার ৮২ আয়াত পর্যন্ত, পঞ্চম তারাবি সুরা মায়িদার ৮৩ আয়াত থেকে সুরা আ'রাফের ১১ আয়াত পর্যন্ত।

ষষ্ঠ তারাবি সুরা আ’রাফের ১২ আয়াত থেকে সুরা আনফালের ৪০ আয়াত পর্যন্ত, সপ্তম তারাবি সুরা আনফালের ৪১ আয়াত থেকে সুরা তাওবার ৯৩ আয়াত পর্যন্ত, অষ্টম তারাবি সুরা তাওবার ৯৪ আয়াত থেকে সুরা হুদের ৫ আয়াত পর্যন্ত, নবম তারাবি সুরা হুদের ৬ আয়াত থেকে সুরা ইউসুফের ৫২ আয়াত পর্যন্ত, দশম তারাবি সুরা ইউসুফের ৫৩ আয়াত থেকে সুরা হিজরের ১ আয়াত পর্যন্ত।

১১তম তারাবি সুরা হিজরের ২ আয়াত থেকে সুরা নাহলের শেষ পর্যন্ত, ১২তম তারাবি সুরা বনি ইসরাঈলের ১ আয়াত থেকে সুরা কাহাফের ৭৪ আয়াত পর্যন্ত, ১৩তম তারাবি সুরা কাহাফের ৭৫ আয়াত থেকে সুরা ত্বহার শেষ পর্যন্ত, ১৪তম তারাবি সুরা আম্বিয়ার ১ আয়াত থেকে সুরা হজের শেষ পর্যন্ত, ১৫তম তারাবি সুরা মু‘মিনুনের ১ আয়াত থেকে সুরা ফুরকানের ২০ আয়াত পর্যন্ত।

১৬তম তারাবি সুরা ফুরকানের ২১ আয়াত থেকে সুরা নামলের ৫৯ আয়াত পর্যন্ত, ১৭তম তারাবি সুরা নামলের ৬০ আয়াত থেকে সুরা আনকাবুতের ৪৪ আয়াত পর্যন্ত, ১৮তম তারাবি সুরা আনকাবুতের ৪৫ আয়াত থেকে সুরা আহযাবের ৩০ আয়াত পর্যন্ত, ১৯তম তারাবি সুরা আহযাবের ৩১ আয়াত থেকে সুরা ইয়াসিনের ২১ আয়াত পর্যন্ত, ২০তম তারাবি সুরা ইয়াসিনের ২২ আয়াত থেকে সুরা যুমারের ৩১ আয়াত পর্যন্ত।

২১তম তারাবি সুরা যুমারের ৩২ আয়াত থেকে সুরা হামীম সিজদাহের ৪৬ আয়াত পর্যন্ত, ২২তম তারাবি সুরা হামীম সিজদাহর ৪৭ আয়াত থেকে সুরা জাছিয়ার শেষ পর্যন্ত, ২৩তম তারাবি সুরা আহক্বাফের ১ আয়াত থেকে সুরা যারিয়াতের ৩০ আয়াত পর্যন্ত, ২৪তম তারাবি সুরা যারিয়াতের ৩১ আয়াত থেকে সুরা হাদীদের শেষ পর্যন্ত, ২৫তম তারাবি সুরা মুজাদালাহর ১ আয়াত থেকে সুরা তাহরীমের শেষ পর্যন্ত, ২৬তম তারাবি সুরা মুলকের ১ আয়াত থেকে সুরা মুরসালাতের শেষ পর্যন্ত এবং ২৭তম তারাবি সুরা নাবার ১ আয়াত থেকে সুরা নাস পর্যন্ত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow