খাগড়াছড়ি বিজিবির বিশেষ অভিযানে ১৪০০ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার দুর্গম বৌদ্ধমনিপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৪০০ রাউন্ড তাজা গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্র জানায়, পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)-এর অধীনস্থ বৌদ্ধমনিপাড়া বিওপির নায়েব সুবেদার মো. শাহআলমের নেতৃত্বে একটি টহলদল বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কাঠালতলী যাত্রী ছাউনি এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় সীমান্ত সড়ক দিয়ে দুটি মোটরসাইকেলে চারজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আসতে দেখে তাদের চ্যালেঞ্জ করে বিজিবি সদস্যরা। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মোটরসাইকেল ফেলে দ্রুত পাশের পাহাড়ি এলাকায় পালিয়ে যায় তারা। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৪০০ রাউন্ড তাজা গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। এদিকে উদ্ধারকৃত গোলাবারুদ বিওপিতে নিয়ে আসার পথে আনুমানিক ১০০ থেকে ১১০ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল বিজিবি টহলদলকে ঘেরাও করার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পানছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এস. এম. ইমরুল কায়েসের নেতৃত্বে অতিরিক্ত দুটি টহলদল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। অতিরিক্ত
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার দুর্গম বৌদ্ধমনিপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৪০০ রাউন্ড তাজা গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)-এর অধীনস্থ বৌদ্ধমনিপাড়া বিওপির নায়েব সুবেদার মো. শাহআলমের নেতৃত্বে একটি টহলদল বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কাঠালতলী যাত্রী ছাউনি এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় সীমান্ত সড়ক দিয়ে দুটি মোটরসাইকেলে চারজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আসতে দেখে তাদের চ্যালেঞ্জ করে বিজিবি সদস্যরা।
বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মোটরসাইকেল ফেলে দ্রুত পাশের পাহাড়ি এলাকায় পালিয়ে যায় তারা। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৪০০ রাউন্ড তাজা গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে উদ্ধারকৃত গোলাবারুদ বিওপিতে নিয়ে আসার পথে আনুমানিক ১০০ থেকে ১১০ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল বিজিবি টহলদলকে ঘেরাও করার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পানছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এস. এম. ইমরুল কায়েসের নেতৃত্বে অতিরিক্ত দুটি টহলদল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। অতিরিক্ত বাহিনীর উপস্থিতির খবর পেয়ে সন্ত্রাসীরা ধীরে ধীরে সরে যায়।
বিজিবি সদস্যদের তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তা, সাহসিকতা এবং সমন্বিত পদক্ষেপের ফলে কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ছাড়াই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রবিউল ইসলাম জানান, সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে।
তিনি বলেন, 'সাম্প্রতিক সময়ে সন্ত্রাসী ও চোরাকারবারীরা নানান কৌশলে তাদের তৎপরতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার এবং নিয়মিত টহল কার্যক্রমের মাধ্যমে এসব অপতৎপরতা কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।'
What's Your Reaction?