ফুয়েল কার্ড নিতে দীর্ঘ লাইন

ঠাকুরগাঁওয়ে চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ফুয়েল কার্ড চালু করা হলেও কমেনি ভোগান্তি। বরং কার্ড নিতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে গাড়িচালকদের। এতে করে সংকটের পাশাপাশি নতুন করে দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। সোমবার (৩০ মার্চ) শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ পাম্পেই পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। কিছু কিছু পাম্পে সীমিত পরিসরে শুধু ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে পরিবহন চালকসহ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসন ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা চালু করে। তবে সেই কার্ড পেতেই এখন দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে মানুষকে। সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকেই কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। ফুয়েল কার্ড নিতে আসা একাধিক বাইক চালক জানান, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কার্ড সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। এতে করে তারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তাদের মতে, সরাসরি ফিলিং স্টেশনগুলোতে প্রশাসনের তদারকির মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হলে দুর্ভোগ কিছুটা কমতো। তবে ভিন্ন মতো রয়েছে। অনেক চালক মনে করছে

ফুয়েল কার্ড নিতে দীর্ঘ লাইন

ঠাকুরগাঁওয়ে চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ফুয়েল কার্ড চালু করা হলেও কমেনি ভোগান্তি। বরং কার্ড নিতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে গাড়িচালকদের। এতে করে সংকটের পাশাপাশি নতুন করে দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

সোমবার (৩০ মার্চ) শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ পাম্পেই পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। কিছু কিছু পাম্পে সীমিত পরিসরে শুধু ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে পরিবহন চালকসহ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসন ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা চালু করে। তবে সেই কার্ড পেতেই এখন দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে মানুষকে। সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকেই কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।

ফুয়েল কার্ড নিতে আসা একাধিক বাইক চালক জানান, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কার্ড সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। এতে করে তারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তাদের মতে, সরাসরি ফিলিং স্টেশনগুলোতে প্রশাসনের তদারকির মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হলে দুর্ভোগ কিছুটা কমতো।

তবে ভিন্ন মতো রয়েছে। অনেক চালক মনে করছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর মাধ্যমে বৈধ চালকরাই জ্বালানি পাবেন, এতে করে একটি শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

এদিকে পাম্প মালিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি তেলের বরাদ্দ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বরাদ্দ অনুযায়ী তেল বিতরণ করা হবে। এতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে তারা জানান।

সদর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ও ফুয়েল কার্ড বিতরণ তদারকি প্রধান কর্মকর্তা মো. রমজান আলী বলেন, জনবল সংকট থাকা সত্ত্বেও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্বচ্ছভাবে ফুয়েল কার্ড বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ফুয়েল কার্ড চালুর মূল উদ্দেশ্য ছিল জ্বালানি সরবরাহে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, কার্ড সংগ্রহ প্রক্রিয়াই নতুন করে ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে—এমন প্রত্যাশা ঠাকুরগাঁওবাসীর।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow