খান ব্রাদার্সের পরিচালক-কর্মকর্তাদের দেড় কোটি টাকা জরিমানা
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগের ২০২২-২৩ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে মিথ্যা দেওয়া হয়। এই অপরাধের জন্য কোম্পানিটির পরিচালক ও কর্মকর্তাদের এক কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১০১৪তম কমিশন সভায় এ জরিমানার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (২১ মে) এ তথ্য জানিয়েছেন বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম। বিএসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে কোম্পানিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এনামুল কবির খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোফায়েল কবির খান, পরিচালক মো. রুহুল কবির খান, হাজরত আলী ও জারিন কবির খানকে ব্যক্তিগত দায় হিসেবে প্রত্যেককে ২৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া কোম্পানিটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মো. আজিজুল জাব্বেরকে ১০ লাখ টাকা এবং কোম্পানি সচিব তপন কুমার সরকারকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বিএসইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যম
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগের ২০২২-২৩ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে মিথ্যা দেওয়া হয়। এই অপরাধের জন্য কোম্পানিটির পরিচালক ও কর্মকর্তাদের এক কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১০১৪তম কমিশন সভায় এ জরিমানার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (২১ মে) এ তথ্য জানিয়েছেন বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম।
বিএসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে কোম্পানিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এনামুল কবির খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোফায়েল কবির খান, পরিচালক মো. রুহুল কবির খান, হাজরত আলী ও জারিন কবির খানকে ব্যক্তিগত দায় হিসেবে প্রত্যেককে ২৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
এ ছাড়া কোম্পানিটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মো. আজিজুল জাব্বেরকে ১০ লাখ টাকা এবং কোম্পানি সচিব তপন কুমার সরকারকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বিএসইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আরোপিত অর্থদণ্ড সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত দায় হিসেবে বিবেচিত হবে।
এমএএস/এমএএইচ/
What's Your Reaction?