খামেনি হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জমিয়তের
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে দলটি। রোববার (১ মার্চ) দলটির আমির মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানিয়েছে দলটি। বিবৃতিতে বলা হয়, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সাথে লক্ষ্য করছে যে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একজন সার্বভৌম রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতার উপর আক্রমণ কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ নয়। বরং এটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি। নেতৃদ্বয় বলেন, রাজনৈতিক বিরোধ বা আঞ্চলিক সংকটের সমাধান কখনোই সামরিক আগ্রাসন বা হত্যার মাধ্যমে হতে পারে না। এ ধরনের পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা বৃদ্ধি করে এবং নিরীহ মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে। একই সঙ্গে অবিলম্বে
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে দলটি।
রোববার (১ মার্চ) দলটির আমির মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানিয়েছে দলটি।
বিবৃতিতে বলা হয়, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সাথে লক্ষ্য করছে যে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একজন সার্বভৌম রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতার উপর আক্রমণ কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ নয়। বরং এটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি।
নেতৃদ্বয় বলেন, রাজনৈতিক বিরোধ বা আঞ্চলিক সংকটের সমাধান কখনোই সামরিক আগ্রাসন বা হত্যার মাধ্যমে হতে পারে না। এ ধরনের পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা বৃদ্ধি করে এবং নিরীহ মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।
একই সঙ্গে অবিলম্বে সব ধরনের সহিংসতা ও সামরিক উত্তেজনা বন্ধ করে কূটনৈতিক আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে শান্তিপূর্ণ পথ অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
জমিয়ত নেতারা বলেন, টেকসই শান্তির একমাত্র পথ হলো পারস্পরিক সম্মান, সংলাপ এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাধান। যুদ্ধ কখনো সমস্যার স্থায়ী সমাধান আনতে পারে না; বরং এটি মানবসভ্যতার জন্য গভীর সংকট সৃষ্টি করে।
What's Your Reaction?