খাল খননের মাধ্যমে অবৈধ দখলমুক্ত হবে : পানিসম্পদমন্ত্রী
সারাদেশে খাল খননের মাধ্যমে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে বলে মন্তব্য করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, খাল দখলমুক্ত করতে গিয়ে কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে। ওইসব বিষয় আমরা জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে মোকাবেলা করব। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, সারাদেশের খালগুলো খালের স্থানেই রয়েছে। কেউ যদি অবৈধভাবে কোনো কিছু গড়ে তুলে, স্বাভাবিকভাবে ওই স্থান থেকে তা উঠিয়ে নিতে হবে। বাকি সব আইনগত মোকাবেলা আমরা করব। তবে আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য মহৎ। নতুন আঙ্গিকে ও নতুন উদ্যমে একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এর জন্য সবার সহযোগিতা বিশেষভাবে প্রয়োজন। তিনি বলেন, মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খননের কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। যা ছিল একটি আন্দোলন ও বিপ্লব। সেই ধারাবাহিকতায় তার জ্যেষ্ঠ সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশের কয়েকটি স্থানে খাল খনন উদ্বোধন করেছেন। আবার অনেক জেলা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীরা কার্যক্রম শুরু করেছেন। একযোগে এই খাল খনন জাগরণ সৃষ্
সারাদেশে খাল খননের মাধ্যমে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে বলে মন্তব্য করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
তিনি বলেন, খাল দখলমুক্ত করতে গিয়ে কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে। ওইসব বিষয় আমরা জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে মোকাবেলা করব।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, সারাদেশের খালগুলো খালের স্থানেই রয়েছে। কেউ যদি অবৈধভাবে কোনো কিছু গড়ে তুলে, স্বাভাবিকভাবে ওই স্থান থেকে তা উঠিয়ে নিতে হবে। বাকি সব আইনগত মোকাবেলা আমরা করব। তবে আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য মহৎ। নতুন আঙ্গিকে ও নতুন উদ্যমে একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এর জন্য সবার সহযোগিতা বিশেষভাবে প্রয়োজন।
তিনি বলেন, মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খননের কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। যা ছিল একটি আন্দোলন ও বিপ্লব। সেই ধারাবাহিকতায় তার জ্যেষ্ঠ সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশের কয়েকটি স্থানে খাল খনন উদ্বোধন করেছেন। আবার অনেক জেলা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীরা কার্যক্রম শুরু করেছেন। একযোগে এই খাল খনন জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে এবং জনগণ এর সুবিধা পাচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ বছর এই খাল খনন কর্মসূচি পড়েছিল। কোনো সরকার এসব কর্মসূচির উদ্যোগ নেননি। যার ফলে অনেক জায়গায় খালের পাড়ে জমি দখল হয়েছে। খালের মধ্যে বর্জ্য কিংবা আবর্জনা স্তূপ হয়ে আছে। এগুলোকে আমরা সম্পূর্ণভাবে অবৈধ দখল বলতে পারি।
এ সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, চাঁদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান, সাবেক সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদ, জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রবিউল হাসান, জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট সলিম উল্যাহ সেলিম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএমএন জামিউল হিকমাসহ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আগামী ১৬ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চাঁদপুর সফর উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভায় বক্তব্য দেন।
What's Your Reaction?