খাল ভরাট করে বাড়ি নির্মাণ, উদ্বেগ এলাকাবাসীর
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে খাল ভরাট করে গড়ে তোলা হচ্ছে বাড়িঘর। এতে বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি চলাচল নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। তারা দ্রুত খালটি পুনরায় উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার জামতৈল গ্রামের সরকারি খাদ্য গুদামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে একটি খাল। বর্ষাকালে এবং বৃষ্টির দিনে মহল্লার দেড় দুইশত বাড়ির পানি এ খাল দিয়ে বের হয়ে ইছামতি নদীতে পড়ে। সেই খালটির বেশিরভাগ অংশ বালু দিয়ে ভরাট হয়ে গেছে। এমনকি খাল ভরাট করে ঘর তুলে নির্মাণ সামগ্রী রেখে একটি মহল ফ্ল্যাট বাসা তৈরি করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এক সময় এ খাল অত্যন্ত সচল ছিল যেখান দিয়ে নৌকা চলত। কালের পরিক্রমায় বর্ষা কম হওয়ায় খালের আয়তন কমে আসছে। বৃষ্টির দিনে এবং বর্ষাকালে আমাদের মহল্লার বেশিরভাগ পানি বের হয়ে যায় এ খাল দিয়ে। বর্তমানে খালটি ভরাট হওয়ায় পর এমন অবস্থা হয়েছে পানি বের হওয়া তো দূরের কথা বর্ষাকালে পানির মধ্যে ভুগে ভুগে মরার উপক্রম হয়েছে। আমরা স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের কাছে দ্রুত এ খাল খননের দাবি জানাচ্ছি। এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আব্দ
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে খাল ভরাট করে গড়ে তোলা হচ্ছে বাড়িঘর। এতে বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি চলাচল নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। তারা দ্রুত খালটি পুনরায় উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার জামতৈল গ্রামের সরকারি খাদ্য গুদামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে একটি খাল। বর্ষাকালে এবং বৃষ্টির দিনে মহল্লার দেড় দুইশত বাড়ির পানি এ খাল দিয়ে বের হয়ে ইছামতি নদীতে পড়ে। সেই খালটির বেশিরভাগ অংশ বালু দিয়ে ভরাট হয়ে গেছে। এমনকি খাল ভরাট করে ঘর তুলে নির্মাণ সামগ্রী রেখে একটি মহল ফ্ল্যাট বাসা তৈরি করছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এক সময় এ খাল অত্যন্ত সচল ছিল যেখান দিয়ে নৌকা চলত। কালের পরিক্রমায় বর্ষা কম হওয়ায় খালের আয়তন কমে আসছে। বৃষ্টির দিনে এবং বর্ষাকালে আমাদের মহল্লার বেশিরভাগ পানি বের হয়ে যায় এ খাল দিয়ে। বর্তমানে খালটি ভরাট হওয়ায় পর এমন অবস্থা হয়েছে পানি বের হওয়া তো দূরের কথা বর্ষাকালে পানির মধ্যে ভুগে ভুগে মরার উপক্রম হয়েছে। আমরা স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের কাছে দ্রুত এ খাল খননের দাবি জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা ইতিমধ্যে খাল ভরাটের জায়গাটি পরিদর্শন করেছি। যারা এ খাল ভরাট করেছে এমন সংশ্লিষ্ট ২০ জনকে নিজ খরচে খালের বালু এবং মাটি আগামী সাত দিনের মধ্যে তুলে ফেলার জন্য নোটিশ দেব। এরপরে যদি নোটিশ অনুযায়ী কাজ না হয় তাহলে তাদেরকে জেল জরিমানা অথবা আইনের মাধ্যমে শাস্তি প্রয়োগ করা হবে।
What's Your Reaction?