খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত, পড়ে আছে মরদেহ

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে ভারতের অভ্যন্তরে খাসিয়াদের গুলিতে সাদ্দাম হোসেন নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও মরদেহ এখনো ভারতের ভেতরে পড়ে আছে বলে জানিয়েছে পরিবার। উত্তমা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার আবুল কালাম বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন। নিহত সাদ্দাম হোসেন উপজেলার উত্তর রণীখাই ইউনিয়নের লামা উত্তমা গ্রামের বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা কুটু মিয়ার ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১ এপ্রিল দুপুর ১২টার দিকে সাদ্দামসহ চারজন সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। সেখানে খাসিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই সাদ্দাম নিহত হন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তের ১২৪৭ নম্বর পিলারের প্রায় ৬০০ গজ ভেতরে ভারতের রাজনটিলা এলাকায় সুপারি আনতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। গুলিতে সাদ্দাম নিহত হওয়ার পাশাপাশি ফরহাদ মিয়া আহত হন। পরে তার সঙ্গীরা তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। আহত ফরহাদ একই গ্রামের লিলু মিয়ার ছেলে। তাদের সঙ্গে আরও ছিলেন আবু বক্কর (৩০) ও জফির মিয়া (২৮)। নিহতের বড়ভাই নাজীম উদ্দীন জানান, আমার ভাইসহ চারজন ভারতে যায়। সেখান

খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত, পড়ে আছে মরদেহ

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে ভারতের অভ্যন্তরে খাসিয়াদের গুলিতে সাদ্দাম হোসেন নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও মরদেহ এখনো ভারতের ভেতরে পড়ে আছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

উত্তমা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার আবুল কালাম বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন। নিহত সাদ্দাম হোসেন উপজেলার উত্তর রণীখাই ইউনিয়নের লামা উত্তমা গ্রামের বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা কুটু মিয়ার ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১ এপ্রিল দুপুর ১২টার দিকে সাদ্দামসহ চারজন সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। সেখানে খাসিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই সাদ্দাম নিহত হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তের ১২৪৭ নম্বর পিলারের প্রায় ৬০০ গজ ভেতরে ভারতের রাজনটিলা এলাকায় সুপারি আনতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। গুলিতে সাদ্দাম নিহত হওয়ার পাশাপাশি ফরহাদ মিয়া আহত হন। পরে তার সঙ্গীরা তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। আহত ফরহাদ একই গ্রামের লিলু মিয়ার ছেলে। তাদের সঙ্গে আরও ছিলেন আবু বক্কর (৩০) ও জফির মিয়া (২৮)।

নিহতের বড়ভাই নাজীম উদ্দীন জানান, আমার ভাইসহ চারজন ভারতে যায়। সেখানে খাসিয়ারা গুলি করলে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। চার দিন পার হয়ে গেলেও এখনো তার মরদেহ দেশে আনতে পারিনি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক জগৎ জ্যোতি দাস বলেন, ঘটনার পর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাদ্দামের সঙ্গে থাকা আরও তিনজনের মধ্যে ফরহাদ মিয়া গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সঙ্গীরা তাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। ফরহাদ মিয়া একই গ্রামের লিলু মিয়ার ছেলে।

উত্তমা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার আবুল কালাম বলেন, বিএসএফের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নিহতের পরিবারকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow