খুলনায় পানি সরবরাহে ৪৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন

খুলনা পানি সরবরাহ প্রকল্পের (ফেজ–২) দুটি পৃথক প্যাকেজের পূর্ত কাজের ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪৩ কোটি ৭৯ লাখ ৭৫ হাজার ৭১৯ টাকা। বুধবার (২০ মে) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এই ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সূত্রে জানা গেছে, একটি প্যাকেজের (নম্বর ডব্লিউ–০২) আওতায় নলকূপ স্থাপন, পাম্প, মোটর, ভিএফডি, পাম্প হাউজ এবং বৈদ্যুতিক কাজসহ দুই বছরের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এই প্যাকেজে ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৪ কোটি ৬২ লাখ ৫৪ হাজার ৮০৯ টাকা। দরপত্র প্রক্রিয়ায় চারটি প্রস্তাব জমা পড়ে, যার মধ্যে একটি প্রস্তাব কারিগরিভাবে যোগ্য বিবেচিত হয়। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী একমাত্র যোগ্য দরদাতা প্রতিষ্ঠান আরএফএল প্লাস্টিকস লিমিটেডের কাছ থেকে কাজটি ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আর একটি প্রস্তাবে প্যাকেজ নম্বর ডব্লিউ–০৫ এর আওতায় ক্লিয়ার ওয়াটার ট্রান্সমিশন মেইন পাইপলাইন নির্মাণ, ময়ূর নদী ও খাল অতিক্রমসহ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো নির্মাণ এবং

খুলনায় পানি সরবরাহে ৪৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন

খুলনা পানি সরবরাহ প্রকল্পের (ফেজ–২) দুটি পৃথক প্যাকেজের পূর্ত কাজের ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪৩ কোটি ৭৯ লাখ ৭৫ হাজার ৭১৯ টাকা।

বুধবার (২০ মে) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এই ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠকে সূত্রে জানা গেছে, একটি প্যাকেজের (নম্বর ডব্লিউ–০২) আওতায় নলকূপ স্থাপন, পাম্প, মোটর, ভিএফডি, পাম্প হাউজ এবং বৈদ্যুতিক কাজসহ দুই বছরের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এই প্যাকেজে ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৪ কোটি ৬২ লাখ ৫৪ হাজার ৮০৯ টাকা।

দরপত্র প্রক্রিয়ায় চারটি প্রস্তাব জমা পড়ে, যার মধ্যে একটি প্রস্তাব কারিগরিভাবে যোগ্য বিবেচিত হয়। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী একমাত্র যোগ্য দরদাতা প্রতিষ্ঠান আরএফএল প্লাস্টিকস লিমিটেডের কাছ থেকে কাজটি ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আর একটি প্রস্তাবে প্যাকেজ নম্বর ডব্লিউ–০৫ এর আওতায় ক্লিয়ার ওয়াটার ট্রান্সমিশন মেইন পাইপলাইন নির্মাণ, ময়ূর নদী ও খাল অতিক্রমসহ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো নির্মাণ এবং দুই বছরের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই প্যাকেজে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩৯ কোটি ১৭ লাখ ২০ হাজার ৯১০ টাকা।

দরপত্র প্রক্রিয়ায় ছয়টি প্রস্তাব জমা পড়ে, যার মধ্যে চারটি প্রস্তাব কারিগরিভাবে যোগ্য বিবেচিত হয়। মূল্যায়ন শেষে যৌথ উদ্যোগে গঠিত প্রতিষ্ঠান চায়না কনস্ট্রাকশন সেকেন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো লিমিটেড এবং আরএফএল প্লাস্টিকসের সমন্বিত দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে সর্বনিম্ন ও যোগ্য দরদাতা হিসেবে নির্বাচন করা হয়।

প্রকল্পটি ২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০৩০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

এমএএস/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow