খেয়াঘাটেও ঘরমুখী মানুষের ভিড়

ঈদের ছুটিতে বাড়ির পথে ছুটছে হাজারো মানুষ। এতে সড়কপথ ছাড়াও যমুনার চরাঞ্চলের নৌকা ঘাট এলাকায় বেড়েছে মানুষের চাপ। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার যমুনা নদীর চরাঞ্চলের পাথরাইল, হাঁপানিয়া ও হাঁটাইল খেয়াঘাট এলাকায় এমন দৃশ্য দেখা গেছে। পাথরাইল খেয়াঘাটের মাঝি আব্দুস সাত্তার জাগো নিউজকে বলেন, ঈদের ছুটিতে সবাই পরিবার ও পরিজন নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসে। বছরের দুইটা ঈদ ও অতিপ্রয়োজন ছাড়া চরাঞ্চলে কেউ আসে না। তবে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ঈদে নৌকায় যাত্রীর সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। নৌকায় জনপ্রতি ভাড়ার বিষয়ে কথা হয় আলম মাঝির সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, অন্য সময়ে জনপ্রতি ১০ টাকা ভাড়া নেওয়া হয়। কিন্তু ঈদের সময় নৌকা ভর্তি হয়ে যায়। তারপরও ঘাটে অনেক যাত্রী নৌকার অপেক্ষায় থাকে। এবার তেলের দাম একটু বেশি হওয়ায় জনপ্রতি ২০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। যাত্রীরা ঈদের আনন্দেই এটা দিয়ে দেয়। ঢাকা থেকে ফেরা সেলিম রেজা বলেন, ভোরে বাসে ছিট না পেয়ে ঢাকা থেকে দাঁড়িয়েই এসেছি। এখন চিরচেনা হাঁটাইল খেয়াঘাট এলাকায় পৌঁছে সব কষ্ট ভুলে গেছি। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করবো এটাই বড় আনন্দ। উমারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্

খেয়াঘাটেও ঘরমুখী মানুষের ভিড়

ঈদের ছুটিতে বাড়ির পথে ছুটছে হাজারো মানুষ। এতে সড়কপথ ছাড়াও যমুনার চরাঞ্চলের নৌকা ঘাট এলাকায় বেড়েছে মানুষের চাপ।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার যমুনা নদীর চরাঞ্চলের পাথরাইল, হাঁপানিয়া ও হাঁটাইল খেয়াঘাট এলাকায় এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

পাথরাইল খেয়াঘাটের মাঝি আব্দুস সাত্তার জাগো নিউজকে বলেন, ঈদের ছুটিতে সবাই পরিবার ও পরিজন নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসে। বছরের দুইটা ঈদ ও অতিপ্রয়োজন ছাড়া চরাঞ্চলে কেউ আসে না। তবে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ঈদে নৌকায় যাত্রীর সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

খেয়াঘাটেও ঘরমুখী মানুষের ভিড়

নৌকায় জনপ্রতি ভাড়ার বিষয়ে কথা হয় আলম মাঝির সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, অন্য সময়ে জনপ্রতি ১০ টাকা ভাড়া নেওয়া হয়। কিন্তু ঈদের সময় নৌকা ভর্তি হয়ে যায়। তারপরও ঘাটে অনেক যাত্রী নৌকার অপেক্ষায় থাকে। এবার তেলের দাম একটু বেশি হওয়ায় জনপ্রতি ২০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। যাত্রীরা ঈদের আনন্দেই এটা দিয়ে দেয়।

ঢাকা থেকে ফেরা সেলিম রেজা বলেন, ভোরে বাসে ছিট না পেয়ে ঢাকা থেকে দাঁড়িয়েই এসেছি। এখন চিরচেনা হাঁটাইল খেয়াঘাট এলাকায় পৌঁছে সব কষ্ট ভুলে গেছি। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করবো এটাই বড় আনন্দ।

উমারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মঞ্জু সরকার জাগো নিউজকে বলেন, চরাঞ্চলের খেয়াঘাট গুলোতে নির্দিষ্ট সময়ে নৌকা ছাড়া হয়। স্বাভাবিক সময়ে যাত্রী সংকটে দুয়েকজন নিয়েও নৌকা ছেড়ে দেয়। কিন্তু ঈদে এই চিত্র একদম উল্টো।

এম এ মালেক/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow