গণঅভ্যুত্থানে সর্বপ্রথম ইসলামী আন্দোলন আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল : আসিফ মাহমুদ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম রাজনৈতিক দল হিসেবে ব্যানার নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। আপনাদের এই অবদান দেশ ও জাতির জন্য আমরা আজীবন স্মরণ করব। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটায় বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই দরবারের বার্ষিক মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আসিফ মাহমুদ বলেন, আমি জীবিত অবস্থায় আপনাদের সামনে রয়েছি সেটা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ সে সময় যারা আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তাদের জন্য সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির লড়াইয়ে রাজপথে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাথে যে সম্পর্ক তৈরী হয়েছে আগামীতেও সে সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে। এর আগে বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই দরবারের মাহফিলের দ্বিতীয় দিন ভোর রাতে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নেতৃত্বে এনসিপির একটি প্রতিনিধি দল চরমোনাই পীরের দরবারে পৌঁছায়। চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়তুল্লাহ জানান, ফজরের নামাজের পর চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম রাজনৈতিক দল হিসেবে ব্যানার নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। আপনাদের এই অবদান দেশ ও জাতির জন্য আমরা আজীবন স্মরণ করব।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটায় বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই দরবারের বার্ষিক মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, আমি জীবিত অবস্থায় আপনাদের সামনে রয়েছি সেটা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ সে সময় যারা আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তাদের জন্য সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির লড়াইয়ে রাজপথে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাথে যে সম্পর্ক তৈরী হয়েছে আগামীতেও সে সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে।
এর আগে বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই দরবারের মাহফিলের দ্বিতীয় দিন ভোর রাতে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নেতৃত্বে এনসিপির একটি প্রতিনিধি দল চরমোনাই পীরের দরবারে পৌঁছায়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়তুল্লাহ জানান, ফজরের নামাজের পর চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম মাহফিলে বয়ান করেন। বয়ান শেষে আসিফ মাহামুদ সজীব ভূঁইয়াসহ এনসিপির প্রতিনিধি দলের সাথে ঘরোয়া বৈঠকে অংশ নেন।
তবে আলোচনার বিষয়বস্তু প্রকাশ করেনি চরমোনাই বা এনসিপি নেতারা। অবশ্য ঘরোয়া ওই বৈঠকে দেশের সমসাময়িক রাজনীতি এবং গণভোট সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলনের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, যুগ্ম সদস্য সচিব ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, কেন্দ্রীয় সংগঠক ও ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স এর সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান, কেন্দ্রীয় সদস্য হামজা মাহবুব, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিফাত রশীদ, ছাত্রনেতা ডাকসুর সাবেক ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদের, জাতীয় ছাত্রশক্তি নেতা যোবায়ের হোসেন।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী চরমোনাই দরবারে এটিই প্রথম মাহফিল। নির্বাচন পূর্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে দেশের সকল রাজনৈতিক দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে নির্বাচন পরবর্তী মাহফিলে বিএনপি এবং এনসিপিসহ অন্যান্য দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও জামায়াতে ইসলামীকে দাওয়াত দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন সমীকরণ সৃষ্টি হয়েছে।
What's Your Reaction?