গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : সালাম
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেছেন, ‘গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা জরুরি।’
সোমবার (২ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আব্দুস সালাম হলে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) উদ্যোগে ২ মার্চ পতাকা উত্তোলন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুস সালাম বলেন, ‘২ মার্চ একটি ঐতিহাসিক দিন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ইতিহাস বিকৃতিতে বিশ্বাস করে না।’
গণতন্ত্রে সমঝোতার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, কম্প্রোমাইজ ছাড়া গণতন্ত্র সম্ভব নয়। তা না হলে একদলীয় শাসনের ঝুঁকি তৈরি হয়। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই কঠোর সমালোচনা না করে সরকারকে সময় দেওয়া উচিত।
প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দিয়ে নির্দিষ্ট সময় পর মূল্যায়নের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশে গণতন্ত্রহীন পরিস্থিতি ছিল এবং এই সময়ে অনেকের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হয়েছে। এখন গণতন্ত্রকে প
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেছেন, ‘গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা জরুরি।’
সোমবার (২ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আব্দুস সালাম হলে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) উদ্যোগে ২ মার্চ পতাকা উত্তোলন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুস সালাম বলেন, ‘২ মার্চ একটি ঐতিহাসিক দিন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ইতিহাস বিকৃতিতে বিশ্বাস করে না।’
গণতন্ত্রে সমঝোতার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, কম্প্রোমাইজ ছাড়া গণতন্ত্র সম্ভব নয়। তা না হলে একদলীয় শাসনের ঝুঁকি তৈরি হয়। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই কঠোর সমালোচনা না করে সরকারকে সময় দেওয়া উচিত।
প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দিয়ে নির্দিষ্ট সময় পর মূল্যায়নের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশে গণতন্ত্রহীন পরিস্থিতি ছিল এবং এই সময়ে অনেকের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হয়েছে। এখন গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
নির্বাচন যেন গ্রহণযোগ্য হয় এবং সরকার পরিবর্তন যেন নির্বাচনের মাধ্যমেই হয়-এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একই সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা নির্ধারণ এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করার কথাও উল্লেখ করেন।
আবদুস সালাম বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে মতভেদ থাকলেও জাতীয় স্বার্থ, গণতন্ত্র ও উগ্রবাদ প্রতিরোধের প্রশ্নে ঐক্য ধরে রাখা জরুরি।
সরকারকে সময় দিয়ে সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তিনি দাবি করেন, মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বড় ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যেই তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে।
ঐতিহাসিক ২ মার্চের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আ স ম আবদুর রবের সাহসী ভূমিকা ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ এবং সেই ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। ইতিহাস সাময়িকভাবে বিকৃত করা গেলেও তা পরিবর্তন বা মুছে ফেলা যায় না।
দেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে বিভক্তির পথে না গিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, নিয়মিত নির্বাচন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এই প্রশাসক।
জেএসডির সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রবের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম এবং গণফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দীন মাহমুদ স্বপন, সহসভাপতি সিরাজ মিয়া, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান।