‘গণভোটের ম্যান্ডেট অমান্য করলে জনগণ সরকারকে প্রত্যাখ্যান করবে’

গণভোটের মাধ্যমে পাওয়া জনগণের ম্যান্ডেট ও সংস্কার উদ্যোগের প্রতি সম্মান দেখিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, গণভোটের ম্যান্ডেট অমান্য করলে জনগণ সরকারকে প্রত্যাখ্যান করবে। রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিস-সংলগ্ন সড়কে ‘চব্বিশের জুলাই বিপ্লব’ স্মরণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও মহানগর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও মেয়রপ্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, ডা. ছিদ্দিকুর রহমান, এস এম লুৎফর রহমান, ফারুকে আযম, ফখরে জাহান সিরাজী সবুজ, মুহাম্মদ আব্দুল গফুর, আব্দুল হান্নান চৌধুরী, শফিউল আলম, মোহাম্মদ আলী, আবরার হোসাইন রিয়াদ, সাজেদা বেগম ও নয়ন বেগম। সভাপতির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম বলেন, মনসুরাবাদ জুলাই আন্দোলনের একটি স্মৃতিবিজড়িত স্থান, যেখানে আন্দোলনের সময়

‘গণভোটের ম্যান্ডেট অমান্য করলে জনগণ সরকারকে প্রত্যাখ্যান করবে’

গণভোটের মাধ্যমে পাওয়া জনগণের ম্যান্ডেট ও সংস্কার উদ্যোগের প্রতি সম্মান দেখিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, গণভোটের ম্যান্ডেট অমান্য করলে জনগণ সরকারকে প্রত্যাখ্যান করবে।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিস-সংলগ্ন সড়কে ‘চব্বিশের জুলাই বিপ্লব’ স্মরণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও মহানগর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও মেয়রপ্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, ডা. ছিদ্দিকুর রহমান, এস এম লুৎফর রহমান, ফারুকে আযম, ফখরে জাহান সিরাজী সবুজ, মুহাম্মদ আব্দুল গফুর, আব্দুল হান্নান চৌধুরী, শফিউল আলম, মোহাম্মদ আলী, আবরার হোসাইন রিয়াদ, সাজেদা বেগম ও নয়ন বেগম।

সভাপতির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম বলেন, মনসুরাবাদ জুলাই আন্দোলনের একটি স্মৃতিবিজড়িত স্থান, যেখানে আন্দোলনের সময় বহু মানুষ আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। তিনি বলেন, ১৬ জুলাই রংপুরে আবু সাঈদের পাশাপাশি চট্টগ্রামে ওয়াসিম, শান্ত ও ফারুক নিহত হন। তার অভিযোগ, সে সময় আন্দোলন দমনে ছাত্রলীগকে মাঠে নামানোর আহ্বান জানিয়ে সহিংসতার পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে জুলাই আন্দোলনের সব শহীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে হবে। অনেক শহীদের পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত হয়নি উল্লেখ করে তাদের গেজেটভুক্ত করার দাবি জানান তিনি।

নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বিচারে প্রাণঘাতী গুলি চালিয়েছিল। এসব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করারও দাবি জানান তিনি।

তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র, সুশাসন ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। একই সঙ্গে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ তুলে সরকারের সমালোচনা করেন এবং সংস্কার ও সুশাসনের পথে ফিরে আসার আহ্বান জানান।

সমাবেশে বক্তারা পুলিশ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলনের ধারা দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশেও প্রভাব ফেলছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।

এমআরএএইচ/কেএইচকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow