গল্প করতে ডেকে এনে ধর্ষণ, সরকারি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
দিনাজপুরের হাকিমপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও ধর্ষণের অভিযোগে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিস চত্বর থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক ওই কর্মকর্তার নাম ডা. সফিউল ইসলাম। তিনি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার আতিয়ার রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি হাকিমপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে ভেটেরিনারি সার্জন হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
ভুক্তভোগী নারী হাকিমপুর থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে জানান, তার স্বামী অসুস্থ থাকায় চিকিৎসার সূত্রে অভিযুক্ত কর্মকর্তার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। চিকিৎসার একপর্যায়ে হোয়াটসঅ্যাপ ও ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত কর্মকর্তা বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে নিজের সরকারি কোয়ার্টারে ভুক্তভোগীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরবর্তীতে তিনি ভুক্তভোগীর স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য চাপ প্রয়োগ করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, গতবছরের ৫ অক্টোবর তিনি স্বামীকে তালাক দেন। এরপর ২০২৬ সালের ১৮ জানুয়ারি অভিযুক্ত কর্মকর্তা তাকে গর্ভপাত করানোর জন্য চাপ দেন এবং একই দি
দিনাজপুরের হাকিমপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও ধর্ষণের অভিযোগে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিস চত্বর থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক ওই কর্মকর্তার নাম ডা. সফিউল ইসলাম। তিনি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার আতিয়ার রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি হাকিমপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে ভেটেরিনারি সার্জন হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
ভুক্তভোগী নারী হাকিমপুর থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে জানান, তার স্বামী অসুস্থ থাকায় চিকিৎসার সূত্রে অভিযুক্ত কর্মকর্তার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। চিকিৎসার একপর্যায়ে হোয়াটসঅ্যাপ ও ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত কর্মকর্তা বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে নিজের সরকারি কোয়ার্টারে ভুক্তভোগীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরবর্তীতে তিনি ভুক্তভোগীর স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য চাপ প্রয়োগ করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, গতবছরের ৫ অক্টোবর তিনি স্বামীকে তালাক দেন। এরপর ২০২৬ সালের ১৮ জানুয়ারি অভিযুক্ত কর্মকর্তা তাকে গর্ভপাত করানোর জন্য চাপ দেন এবং একই দিনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এরপর তারা স্বামী-স্ত্রীর মতো একসঙ্গে চলাফেরা করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি পোস্ট অফিসের নোটিশের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, অভিযুক্ত কর্মকর্তা ১০ ফেব্রুয়ারি তাকে তালাক দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী জানান, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) অভিযুক্ত কর্মকর্তা ফোন করে গল্প করার জন্য তাকে ডাকে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস ও পশু হাসপাতাল এলাকায় গেলে অভিযুক্ত কর্মকর্তা তাকে অফিস কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে পুনরায় বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ ও যৌন ভিডিও সংক্রান্ত অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।