গাছ লাগানোর পাশাপাশি পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, রোপণ করা প্রতিটি চারার সঠিক পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, সরকারের কাঙ্ক্ষিত পাঁচ কোটি গাছ টিকিয়ে রাখতে হলে এর চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে গাছ লাগানোর পাশাপাশি রোপণ করা চারাগুলোর নিবিড় পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি গাছকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব নিতে হবে। তাহলেই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে কেরানীগঞ্জের নয়াবাজার ডিগ্রি কলেজ মাঠে রোটারি ক্লাব অব গুলশান এভিনিউ আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, চরম আবহাওয়া ও পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় সারাদেশে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি প্রতিটি গাছকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্বও নিতে হবে। একটি চারা রোপণের
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, রোপণ করা প্রতিটি চারার সঠিক পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, সরকারের কাঙ্ক্ষিত পাঁচ কোটি গাছ টিকিয়ে রাখতে হলে এর চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে গাছ লাগানোর পাশাপাশি রোপণ করা চারাগুলোর নিবিড় পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি গাছকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব নিতে হবে। তাহলেই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে কেরানীগঞ্জের নয়াবাজার ডিগ্রি কলেজ মাঠে রোটারি ক্লাব অব গুলশান এভিনিউ আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, চরম আবহাওয়া ও পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় সারাদেশে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি প্রতিটি গাছকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্বও নিতে হবে। একটি চারা রোপণের পর সেটি যাতে নষ্ট না হয়, সেদিকে নিয়মিত নজর দিতে হবে। গাছ বড় হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সুফল দীর্ঘমেয়াদে পাওয়া সম্ভব।
এ সময় ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান বলেন, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে এখন থেকেই বেশি করে গাছ লাগাতে হবে এবং রোপণ করা গাছগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে এ ধরনের কর্মসূচিতে আরও সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আমান উল্লাহ আমান আরও বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্যই রক্ষা করে না, মানুষের জীবন ও প্রকৃতির সঙ্গে এর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তাই বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে গাছের প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরি করা জরুরি।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের পরিবেশ ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ সংরক্ষণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায়েও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠান শেষে ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমানকে সঙ্গে নিয়ে নয়াবাজার ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
এ সময় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা বিএনপির সভাপতি শামীম হাসান, নয়াবাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল রাজ্জাক মিয়া, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রোটারি ক্লাব অব গুলশান এভিনিউর নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে কলেজ প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, রোপণ করা চারাগুলোর পরিচর্যা ও সংরক্ষণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
What's Your Reaction?