গাজর-টমেটো ছাড়া কমেছে সব ধরনের সবজির দাম
কোরবানিকে সামনে রেখে রাজশাহীর বাজারে কমতে শুরু করেছে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় প্রতি কেজি সবজিতে গড়ে ১৫-৩০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। তবে ব্যতিক্রম গাজর ও টমেটো—এ দুই পণ্যের দাম বেড়েছে। শনিবার (২৩ মে) সকালে রাজশাহী শহরের সাহেববাজার, বউবাজার, বিনোদপুরসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, ডায়মন্ড আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২০ টাকায়। পেঁয়াজের দামও কমেছে পাঁচ টাকা। গত সপ্তাহে পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকায়। কাঁচামরিচ, যা গত সপ্তাহে ১০০-১১০ টাকা, এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকায়। ডিমের বাজারেও কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সাদা ডিম প্রতি হালি ৩৫-৩৮ এবং লাল ৩৮-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শসার দাম গত সপ্তাহে ৬০-৭০ থাকলেও বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৩০-৩৫ টাকায়। এছাড়া বরবটি ৩০, পটল ৩৫, বেগুন ৩৫-৪০, কাকরোল ৩০, চিচিঙ্গা ৩০-৩৫, ফুলকপি ২০ এবং করলা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঝিঙের দাম ২০ টাকা কমে বর্তমানে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ১৫-২০ টাকা, ঢেঁড়স ২৫-৩০ এবং মিষ্টিকুমড়া ৩০-৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাউ বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকায়। পুইশাক, পালংশাক, লা
কোরবানিকে সামনে রেখে রাজশাহীর বাজারে কমতে শুরু করেছে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় প্রতি কেজি সবজিতে গড়ে ১৫-৩০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। তবে ব্যতিক্রম গাজর ও টমেটো—এ দুই পণ্যের দাম বেড়েছে।
শনিবার (২৩ মে) সকালে রাজশাহী শহরের সাহেববাজার, বউবাজার, বিনোদপুরসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, ডায়মন্ড আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২০ টাকায়। পেঁয়াজের দামও কমেছে পাঁচ টাকা। গত সপ্তাহে পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকায়।
কাঁচামরিচ, যা গত সপ্তাহে ১০০-১১০ টাকা, এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকায়। ডিমের বাজারেও কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সাদা ডিম প্রতি হালি ৩৫-৩৮ এবং লাল ৩৮-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শসার দাম গত সপ্তাহে ৬০-৭০ থাকলেও বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৩০-৩৫ টাকায়। এছাড়া বরবটি ৩০, পটল ৩৫, বেগুন ৩৫-৪০, কাকরোল ৩০, চিচিঙ্গা ৩০-৩৫, ফুলকপি ২০ এবং করলা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঝিঙের দাম ২০ টাকা কমে বর্তমানে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ১৫-২০ টাকা, ঢেঁড়স ২৫-৩০ এবং মিষ্টিকুমড়া ৩০-৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাউ বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকায়। পুইশাক, পালংশাক, লালশাক ও ধনেপাতাসহ বিভিন্ন শাকের দাম ৫-১০ পর্যন্ত কমেছে।
এদিকে মাছ ও মাংসের বাজারেও কিছুটা স্বস্তি এসেছে। বয়লার মুরগি, যা গত সপ্তাহে ১৭০-১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, এখন বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৪৫ টাকায়। সোনালি মুরগির দাম ২৭০ টাকা থেকে কমে ২৫০ টাকায় নেমেছে। লেয়ার মুরগী ২০ টাকা কমে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগি ৪৫০ টাকা থেকে কমে ৪৩০-৪৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হাঁসের দামও কমেছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি হাঁস ২৫০ টাকা থাকলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৩৫ টাকায়।
অন্যদিকে বাজারে গাজর ও টমেটোর দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হওয়া গাজর এখন ১৬০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টমেটোর দামও কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেড়ে ১১০-১২০ টাকায় পৌঁছেছে। এছাড়া আদার দাম ১০-২০ টাকা বেড়ে বর্তমানে ১৮০-১৯০ টাকা কেজি এবং রসুন ১৬০-১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সাহেববাজারের সবজি বিক্রেতা কামাল মণ্ডল বলেন, “গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম বাড়েনি বরং কমেছে। বাজারে সরবরাহ বেড়েছে বলেই দাম কমেছে। কিছু সবজির দাম ২০-৪০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
সবজির দামে স্বস্তি ফিরেছে জানিয়ে ক্রেতা সেলিনা রহমান বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে প্রায় সব সবজির দাম কমেছে। এতে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে।
বিনোদপুরের আরেক সবজি বিক্রেতা রকি ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে সব ধরনের সবজির দাম ১০-১৫ টাকা কমেছে। কোনো কোনো সবজিতে ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। দাম কম থাকলে বিক্রিও ভালো হয়। দাম বেশি থাকলে ক্রেতারা কম বাজার করেন।”
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশন বাজারের মুরগি বিক্রেতা হৃদয় আহমেদ বলেন, “সামনে কোরবানির ঈদ থাকায় সব ধরনের মুরগির দাম কমেছে। ঈদের আগে আরও কমতে পারে। তবে ঈদের পর দাম আবার বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মনির হোসেন মাহিন/এএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?