গাজায় যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১২৫৭
গাজা উপত্যকায় গত বছরের অক্টোবরে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৫৭ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। খবর আল জাজিরার।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪৮ ঘণ্টায় গাজার হাসপাতালগুলোতে আগের ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়ে পরে মারা যাওয়া দুই ফিলিস্তিনির মরদেহ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নতুন হামলায় আহত হয়েছেন আরও ছয়জন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, গত বছরের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে গাজায় প্রায় প্রতিদিনই ইসরায়েলি হামলার ঘটনা ঘটছে। এসব হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৫৭ জন নিহত এবং ৪ হাজার ১৩১ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মোট ৭৩ হাজার ৩৮৪ জন নিহত এবং ১ লাখ ৭৪ হাজার ২৪২ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
প্রসঙ্গত, ইসরায়েল গাজা উপত্যকা থেকে সেনা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হামাস কোনো ধরনের নিরস্ত্রীকরণে রাজি হবে না। নতুন করে গাজায় হামলা এবং উপত্যকাটির শাসনভার নিয়ে আলোচনার মধ্যে হামাসের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা এসেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্
গাজা উপত্যকায় গত বছরের অক্টোবরে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৫৭ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। খবর আল জাজিরার।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪৮ ঘণ্টায় গাজার হাসপাতালগুলোতে আগের ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়ে পরে মারা যাওয়া দুই ফিলিস্তিনির মরদেহ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নতুন হামলায় আহত হয়েছেন আরও ছয়জন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, গত বছরের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে গাজায় প্রায় প্রতিদিনই ইসরায়েলি হামলার ঘটনা ঘটছে। এসব হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৫৭ জন নিহত এবং ৪ হাজার ১৩১ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মোট ৭৩ হাজার ৩৮৪ জন নিহত এবং ১ লাখ ৭৪ হাজার ২৪২ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
প্রসঙ্গত, ইসরায়েল গাজা উপত্যকা থেকে সেনা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হামাস কোনো ধরনের নিরস্ত্রীকরণে রাজি হবে না। নতুন করে গাজায় হামলা এবং উপত্যকাটির শাসনভার নিয়ে আলোচনার মধ্যে হামাসের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা এসেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও আলোচক দলের সদস্য গাজি হামাদ বলেন, নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি ইসরায়েলের গাজা থেকে সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলের পুনর্গঠনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
তিনি বলেন, নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় ইসরায়েলের কোনো ভূমিকা থাকবে না; বরং এটি একটি ফিলিস্তিনি জাতীয় কমিটির তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে।