গাজীপুরে হোটেলে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৬

গাজীপুরের টঙ্গীতে ‘জাবান হোটেল অ্যান্ড বার’-এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ঘটনায় হোটেলের দুই কর্মচারী, এক স্থানীয় বাসিন্দা এবং তিন কিশোর গ্যাং সদস্যসহ মোট কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন হোটেলের নিরাপত্তাকর্মী দারুল (২৮), কর্মচারী রাসেল (২৬) এবং স্থানীয় বাসিন্দা শ্যামল (৪০)। অন্যদিকে, স্থানীয় বাসিন্দা ও হোটেল কর্মচারীদের পাল্টা হামলায় টঙ্গীর কিশোর গ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজ (৩০), জাকির ও সানি আহত হন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোরে টঙ্গীর আমতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হোটেল সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে হোটেল বন্ধের সময় কয়েকজন ব্যক্তি—সোহেল, রুম্মান ও সানি—জোরপূর্বক ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। নিরাপত্তাকর্মীরা বাধা দিলে তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা ফোনে টঙ্গী পূর্ব আরিচপুর এলাকার কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং লিডার সবুজ ওরফে ভাদাইম্মা সবুজের নেতৃত্বে ১০–১৫ জনকে ডেকে আনে। এরপর তারা হোটেলের সামনে এসে এলোপাতাড়ি হামলা চালায় এবং ককটেলসদৃশ কয়েকটি বিস্ফোরণ ঘটায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ

গাজীপুরে হোটেলে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৬

গাজীপুরের টঙ্গীতে ‘জাবান হোটেল অ্যান্ড বার’-এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ঘটনায় হোটেলের দুই কর্মচারী, এক স্থানীয় বাসিন্দা এবং তিন কিশোর গ্যাং সদস্যসহ মোট কয়েকজন আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন হোটেলের নিরাপত্তাকর্মী দারুল (২৮), কর্মচারী রাসেল (২৬) এবং স্থানীয় বাসিন্দা শ্যামল (৪০)।

অন্যদিকে, স্থানীয় বাসিন্দা ও হোটেল কর্মচারীদের পাল্টা হামলায় টঙ্গীর কিশোর গ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজ (৩০), জাকির ও সানি আহত হন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোরে টঙ্গীর আমতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

হোটেল সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে হোটেল বন্ধের সময় কয়েকজন ব্যক্তি—সোহেল, রুম্মান ও সানি—জোরপূর্বক ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। নিরাপত্তাকর্মীরা বাধা দিলে তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা ফোনে টঙ্গী পূর্ব আরিচপুর এলাকার কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং লিডার সবুজ ওরফে ভাদাইম্মা সবুজের নেতৃত্বে ১০–১৫ জনকে ডেকে আনে।

এরপর তারা হোটেলের সামনে এসে এলোপাতাড়ি হামলা চালায় এবং ককটেলসদৃশ কয়েকটি বিস্ফোরণ ঘটায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে নিরাপত্তাকর্মীরা প্রতিরোধ গড়লে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে কিশোর গ্যাং সদস্য ভাদাইম্মা সবুজ, তার সহযোগী জাকির ও ঢাকার উত্তরার কিশোর গ্যাং লিডার সানি আহত হন। একই ঘটনায় কিশোর গ্যাং সদস্যদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হোটেল কর্মচারী রাসেল, ককটেলের আঘাতে স্থানীয় বাসিন্দা শ্যামল এবং মারধরে নিরাপত্তাকর্মী দারুল আহত হন।

পরে তাদের উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ভাদাইম্মা সবুজ ও জাকিরকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠায়।

এ বিষয়ে জাবান হোটেলের মালিক সায়মন খান বলেন, উত্তরার কিশোর গ্যাং লিডার সানি এবং টঙ্গীর কিশোর গ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন ভোররাতে হোটেলে হামলা চালায়। এ সময় তারা আমার সিকিউরিটি গার্ড ও কর্মচারীদের মারধর করে ককটেল বিস্ফারণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছিল। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow