গার্মেন্টসকর্মীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ী এলাকায় এক নারী পোশাক শ্রমিকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম মমতাজ আক্তার (২৩)।
রোববার (৩ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন বাইমাইল সাইনবোর্ড এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মমতাজ কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার কাইজা গ্রামের আয়নাল হকের মেয়ে। তিনি কোনাবাড়ীর বাইমাইল এলাকায় স্বামী আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। তার স্বামী আনোয়ার পেশায় একজন ট্রাকের হেলপার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেনকে একটি বড় বস্তা বহন করতে দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। উপস্থিত লোকজন বস্তার ভেতরে কী আছে জানতে চাইলে আনোয়ার সেটি রাস্তার পাশে ফেলে দ্রুত দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে বস্তার ভেতর থেকে মমতাজের মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলটি ফাইজা গার্মেন্টসের বিপরীত পাশে অবস্থিত।
কোনাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হামিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজী
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ী এলাকায় এক নারী পোশাক শ্রমিকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম মমতাজ আক্তার (২৩)।
রোববার (৩ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন বাইমাইল সাইনবোর্ড এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মমতাজ কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার কাইজা গ্রামের আয়নাল হকের মেয়ে। তিনি কোনাবাড়ীর বাইমাইল এলাকায় স্বামী আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। তার স্বামী আনোয়ার পেশায় একজন ট্রাকের হেলপার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেনকে একটি বড় বস্তা বহন করতে দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। উপস্থিত লোকজন বস্তার ভেতরে কী আছে জানতে চাইলে আনোয়ার সেটি রাস্তার পাশে ফেলে দ্রুত দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে বস্তার ভেতর থেকে মমতাজের মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলটি ফাইজা গার্মেন্টসের বিপরীত পাশে অবস্থিত।
কোনাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হামিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর থেকেই মমতাজের স্বামী আনোয়ার হোসেন পলাতক রয়েছেন। নিহতের পরিবারের সদস্যরা কুড়িগ্রাম থেকে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং পলাতক স্বামীকে গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে।