গাড়ির বাজারে ফিরছে ল্যান্ড রোভার ফ্রিল্যান্ডার

  নতুন যুগের প্রযুক্তি আর পুরোনো দিনের নস্টালজিয়াকে একসঙ্গে নিয়ে আবারও আলোচনায় ফিরছে ল্যান্ড রোভার ফ্রিল্যান্ডার। তবে এবার এটি শুধু পুরোনো মডেলের পুনরাগমন নয় বরং একেবারে নতুন পরিচয়ে, স্বতন্ত্র ব্র্যান্ড হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে এই জনপ্রিয় এসইউভি। বহু বছর আগে বাজারে আসা ফ্রিল্যান্ডার তার সময়ের অন্যতম পরিচিত নাম ছিল। এবার সেই নামই ফিরে আসছে আধুনিক ইলেকট্রিক এসইউভি হিসেবে। জানা গেছে, নতুন এই ব্র্যান্ডের অধীনে একাধিক ইলেকট্রিক মডেল বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এরই মধ্যে একটি কনসেপ্ট মডেল উন্মোচন করেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। ডিজাইনের ক্ষেত্রে পুরোনো ফ্রিল্যান্ডারের ছাপ স্পষ্টভাবে রাখা হয়েছে। রেট্রো স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে আগের মডেলের আবহ ধরে রেখে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই গাড়ি। বিশেষ করে পেছনের দরজার নকশা আলাদা করে নজর কাড়ছে। যদিও কনসেপ্ট মডেলের এই ডিজাইন ভবিষ্যতের প্রোডাকশন ভার্সনে একই থাকবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই নতুন ফ্রিল্যান্ডার আপাতত সাধারণ ক্রেতাদের জন্য উন্মুক্ত নয়, কারণ এটি এখনো কনসেপ্ট পর্যায়েই রয়েছে। মূলত বিশ্বের বৃহত্তম গাড়ির বাজার চায়নাকে লক্ষ্য করেই

গাড়ির বাজারে ফিরছে ল্যান্ড রোভার ফ্রিল্যান্ডার

 

নতুন যুগের প্রযুক্তি আর পুরোনো দিনের নস্টালজিয়াকে একসঙ্গে নিয়ে আবারও আলোচনায় ফিরছে ল্যান্ড রোভার ফ্রিল্যান্ডার। তবে এবার এটি শুধু পুরোনো মডেলের পুনরাগমন নয় বরং একেবারে নতুন পরিচয়ে, স্বতন্ত্র ব্র্যান্ড হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে এই জনপ্রিয় এসইউভি।

বহু বছর আগে বাজারে আসা ফ্রিল্যান্ডার তার সময়ের অন্যতম পরিচিত নাম ছিল। এবার সেই নামই ফিরে আসছে আধুনিক ইলেকট্রিক এসইউভি হিসেবে। জানা গেছে, নতুন এই ব্র্যান্ডের অধীনে একাধিক ইলেকট্রিক মডেল বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এরই মধ্যে একটি কনসেপ্ট মডেল উন্মোচন করেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।

ডিজাইনের ক্ষেত্রে পুরোনো ফ্রিল্যান্ডারের ছাপ স্পষ্টভাবে রাখা হয়েছে। রেট্রো স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে আগের মডেলের আবহ ধরে রেখে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই গাড়ি। বিশেষ করে পেছনের দরজার নকশা আলাদা করে নজর কাড়ছে। যদিও কনসেপ্ট মডেলের এই ডিজাইন ভবিষ্যতের প্রোডাকশন ভার্সনে একই থাকবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

এই নতুন ফ্রিল্যান্ডার আপাতত সাধারণ ক্রেতাদের জন্য উন্মুক্ত নয়, কারণ এটি এখনো কনসেপ্ট পর্যায়েই রয়েছে। মূলত বিশ্বের বৃহত্তম গাড়ির বাজার চায়নাকে লক্ষ্য করেই এটি তৈরি করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যেই জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার যৌথভাবে কাজ করছে চীনের গাড়ি নির্মাতা চেরি অটোমোবাইলের সঙ্গে।

প্রযুক্তিগত দিক থেকেও নতুন ফ্রিল্যান্ডার বেশ এগিয়ে। এটি ৮০০ ভোল্ট আর্কিটেকচারের ওপর তৈরি, ফলে দ্রুত চার্জিং সুবিধা পাওয়া যাবে। একইসঙ্গে পারফরম্যান্সও হবে আরও উন্নত। পুরোপুরি ইলেকট্রিক হওয়ার পাশাপাশি এতে প্লাগ-ইন হাইব্রিড পাওয়ারট্রেনের অপশনও থাকতে পারে বলে জানা গেছে।

প্রথমবার ১৯৯৭ সালে ফ্রিল্যান্ডার বাজারে আসে। সেই ইতিহাসকে সামনে রেখেই নতুন কনসেপ্ট মডেলের নাম রাখা হয়েছে ‘কনসেপ্ট ৯৭’। যদিও আপাতত এটি চীনা বাজারকেন্দ্রিক, ভবিষ্যতে ভারতের মতো বাজারেও এর দেখা মিলতে পারে।

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow