গিফট পাওয়ার ক্ষেত্রে আমি খুব লাকি: আসিফ আকবর
তিনি বাংলা সংগীত জগতের এক জীবন্ত কিংবদন্তি, যার কণ্ঠের জাদুতে বুঁদ হয়ে আছে কয়েক প্রজন্ম। ২০০১ সালে ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ অ্যালবামের সেই অবিস্মরণীয় সুর যখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল, তখন থেকেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন কোটি প্রাণের স্পন্দন। তিনি আর কেউ নন সবার প্রিয় আসিফ আকবর। তবে এবার নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ফেসবুকে এক পোস্টের কারণে খবরের শিরোনাম হয়েছেন তিনি। প্রকাশিত সেই পোস্টে আসিফ আকবর লিখেছেন, ‘গিফট পাওয়ার ক্ষেত্রে আমি খুব লাকি। ছোটবেলায় ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে ছাদ থেকে ভূপাতিত হয়েও নতুন জীবন পেয়েছি। এই কারণে পরিবারের সবার সফট কর্নার আছে আমার প্রতি। আমাদের পরিবারের ব্যাপ্তি মাশাআল্লাহ, প্রত্যেক সদস্যের কাছেই আমার জন্য ভালোবাসা আলাদা আলাদা। এখানে বদমেজাজ বা একরোখা স্বভাব তাদের বিবেচ্য বিষয় নয়।’ শপিংয়ের ক্ষেত্রে আমি যথেষ্ট বেরসিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গানে ক্যারিয়ার হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও বদলে গেল। শপিংয়ে যাওয়ার অভ্যাস আমার নাই। যে কারণে নিজের কিংবা পরিবারের অন্য কারও জন্য কিছুই কেনা সম্ভব হয় না। তবে বিদেশে সময় পেলে একটু শপিং হয়। দামি জিনিসের প্রতি আকর্ষণ নাই, কাজ চললেই হ্যাপি। শপ
তিনি বাংলা সংগীত জগতের এক জীবন্ত কিংবদন্তি, যার কণ্ঠের জাদুতে বুঁদ হয়ে আছে কয়েক প্রজন্ম। ২০০১ সালে ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ অ্যালবামের সেই অবিস্মরণীয় সুর যখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল, তখন থেকেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন কোটি প্রাণের স্পন্দন। তিনি আর কেউ নন সবার প্রিয় আসিফ আকবর। তবে এবার নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ফেসবুকে এক পোস্টের কারণে খবরের শিরোনাম হয়েছেন তিনি।
প্রকাশিত সেই পোস্টে আসিফ আকবর লিখেছেন, ‘গিফট পাওয়ার ক্ষেত্রে আমি খুব লাকি। ছোটবেলায় ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে ছাদ থেকে ভূপাতিত হয়েও নতুন জীবন পেয়েছি। এই কারণে পরিবারের সবার সফট কর্নার আছে আমার প্রতি। আমাদের পরিবারের ব্যাপ্তি মাশাআল্লাহ, প্রত্যেক সদস্যের কাছেই আমার জন্য ভালোবাসা আলাদা আলাদা। এখানে বদমেজাজ বা একরোখা স্বভাব তাদের বিবেচ্য বিষয় নয়।’
শপিংয়ের ক্ষেত্রে আমি যথেষ্ট বেরসিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গানে ক্যারিয়ার হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও বদলে গেল। শপিংয়ে যাওয়ার অভ্যাস আমার নাই। যে কারণে নিজের কিংবা পরিবারের অন্য কারও জন্য কিছুই কেনা সম্ভব হয় না। তবে বিদেশে সময় পেলে একটু শপিং হয়। দামি জিনিসের প্রতি আকর্ষণ নাই, কাজ চললেই হ্যাপি। শপিংয়ের ক্ষেত্রে আমি যথেষ্ট বেরসিক।’
‘সাউন্ডটেক চিফ সুলতান মাহমুদ বাবুল ভাই বিগত ২৫ বছর ধরে প্রতি ঈদে আমার পরিবারকে গিফট দিতে ভুলেন না। ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ধ্রুব গুহ দাদা আর বাংলাঢোলের এনামুল হকের উপহার পাই রুটিনমাফিক। আমার মামণি ফাতেমা প্রিসিলা নিউইয়র্ক থেকে আইফোন পাঠায়, আর চিন্তা কিসের! প্রিসিলার বাবা ডাক্তার আতিক আমার বন্ধু, রোগশোক সব তিনিই দেখভাল করেন।’
শেষে লিখেছেন, ‘বন্ধুবান্ধব, ভাইবোন, ফ্যানস, প্রেমিকা এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের গিফটেই আমি স্বয়ংসম্পূর্ণ। সঙ্গে চলা নেটিজেনদের মন্তব্য আমি নাকি একটা জীবন ফাওয়ের ওপর কাটায় দিলাম! উপহারে নেই বিষ, নেই হিংসা, আছে শুধু ভালোবাসা। এজন্য সব দাওয়াতে আমি চলে যাই উপহার হিসেবে, মার্কেটে গিয়ে গিফট কিনতে পারি না তাই নিজেই গিফট হয়ে যাই। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন। ঈদ মোবারক। ভালোবাসা অবিরাম।’
What's Your Reaction?