গুগল ম্যাপে ‘ব্লু সার্কেল’ আসলে কী বোঝায়?
স্মার্টফোনে পথ খুঁজতে বা কোনো জায়গার অবস্থান জানতে গুগল ম্যাপের সাহায্য নেন কোটি কোটি মানুষ। অ্যাপটি খুললেই নিজের অবস্থান বোঝাতে দেখা যায় একটি নীল ডট। তবে অনেক সময় সেই ডটের চারপাশে ছোট বা বড় একটি নীল বৃত্ত দেখা যায়। এই বিষয়টি অনেক ব্যবহারকারীর কাছেই রহস্যের মতো মনে হয়। অনেকে ভাবেন, এটি হয়তো গুগল ম্যাপের কোনো ত্রুটি বা ইন্টারনেট সমস্যার কারণে হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে এই নীল বৃত্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়। এটি জানায়, গুগল ম্যাপে আপনার বর্তমান অবস্থান কতটা নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করতে পেরেছে। গুগল ম্যাপে ব্যবহারকারীর অবস্থান শনাক্ত করতে একাধিক প্রযুক্তির সাহায্য নেয়। এর মধ্যে রয়েছে জিপিএস স্যাটেলাইট, আশপাশের ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক এবং মোবাইল টাওয়ারের সিগন্যাল। এই সব উৎস থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে অ্যাপটি আপনার অবস্থান নির্ধারণ করে। আরও পড়ুন গুগল ম্যাপ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলবেন যেভাবে যখন জিপিএস সিগন্যাল শক্তিশালী থাকে এবং ফোন সহজে স্যাটেলাইটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে, তখন অবস্থান শনাক্ত করার নির্ভুলতা বেশি হয়। সেই সময় নীল ডটের চারপাশের বৃত্ত ছোট হয়ে যায়। অর্থাৎ, গুগল ম্যাপে প্রা
স্মার্টফোনে পথ খুঁজতে বা কোনো জায়গার অবস্থান জানতে গুগল ম্যাপের সাহায্য নেন কোটি কোটি মানুষ। অ্যাপটি খুললেই নিজের অবস্থান বোঝাতে দেখা যায় একটি নীল ডট। তবে অনেক সময় সেই ডটের চারপাশে ছোট বা বড় একটি নীল বৃত্ত দেখা যায়। এই বিষয়টি অনেক ব্যবহারকারীর কাছেই রহস্যের মতো মনে হয়।
অনেকে ভাবেন, এটি হয়তো গুগল ম্যাপের কোনো ত্রুটি বা ইন্টারনেট সমস্যার কারণে হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে এই নীল বৃত্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়। এটি জানায়, গুগল ম্যাপে আপনার বর্তমান অবস্থান কতটা নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করতে পেরেছে।
গুগল ম্যাপে ব্যবহারকারীর অবস্থান শনাক্ত করতে একাধিক প্রযুক্তির সাহায্য নেয়। এর মধ্যে রয়েছে জিপিএস স্যাটেলাইট, আশপাশের ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক এবং মোবাইল টাওয়ারের সিগন্যাল। এই সব উৎস থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে অ্যাপটি আপনার অবস্থান নির্ধারণ করে।
যখন জিপিএস সিগন্যাল শক্তিশালী থাকে এবং ফোন সহজে স্যাটেলাইটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে, তখন অবস্থান শনাক্ত করার নির্ভুলতা বেশি হয়। সেই সময় নীল ডটের চারপাশের বৃত্ত ছোট হয়ে যায়। অর্থাৎ, গুগল ম্যাপে প্রায় নিশ্চিতভাবে জানে আপনি ঠিক কোন জায়গায় রয়েছেন।
অন্যদিকে, নীল বৃত্ত বড় হয়ে গেলে এর অর্থ হলো আপনার অবস্থান সম্পর্কে গুগল ম্যাপের নিশ্চিততা কিছুটা কমেছে। অর্থাৎ, আপনি ওই বড় বৃত্তের মধ্যে কোনো একটি জায়গায় থাকতে পারেন, কিন্তু নির্দিষ্ট পয়েন্টটি চিহ্নিত করা কঠিন হচ্ছে।
সাধারণত কয়েকটি পরিস্থিতিতে এই বৃত্ত বড় হয়ে যায়। যেমন বড় বড় ভবনের মাঝে থাকা, ঘরের ভেতরে অবস্থান করা, (ভূগর্ভস্থ) জায়গায় থাকা বা এমন কোনো এলাকায় থাকা যেখানে জিপিএস সিগন্যাল সহজে পৌঁছাতে পারে না। উঁচু ভবনের দেয়াল বা অন্যান্য বাধার কারণে স্যাটেলাইট সিগন্যাল দুর্বল হয়ে গেলে অবস্থান নির্ধারণের নির্ভুলতাও কমে যায়।
তবে বড় নীল বৃত্ত দেখলেই চিন্তার কোনো কারণ নেই। কয়েকটি সহজ উপায়ে গুগল ম্যাপের অবস্থান শনাক্ত করার ক্ষমতা বাড়ানো যায়।
প্রথমত, ফোনের ওয়াই-ফাই চালু রাখুন। ইন্টারনেট ব্যবহার না করলেও আশপাশের ওয়াই-ফাই সিগন্যাল অবস্থান নির্ধারণে সাহায্য করতে পারে।
দ্বিতীয়ত, ফোনের কম্পাস ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা নিশ্চিত করতে ফিগার এইট বা ৮-এর আকৃতিতে ফোনটি কয়েকবার ঘোরানো যেতে পারে। এতে কম্পাস সেন্সর ক্যালিব্রেট হয়।
এছাড়া সম্ভব হলে খোলা জায়গায় গেলে জিপিএস সিগন্যাল আরও ভালো পাওয়া যায়। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে ফোন নতুন করে স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করে এবং গুগল ম্যাপস আরও নির্ভুল অবস্থান দেখাতে পারে।
তাই গুগল ম্যাপসে নীল ডটের চারপাশে বড় বা ছোট বৃত্ত দেখলে সেটিকে কোনো ত্রুটি ভাবার প্রয়োজন নেই। এটি আসলে আপনার অবস্থান শনাক্ত করার নির্ভুলতার একটি সূচক। ছোট বৃত্ত মানে বেশি নির্ভুলতা, আর বড় বৃত্ত মানে অবস্থান সম্পর্কে কিছুটা অনিশ্চয়তা। এই ছোট ফিচারটিই ব্যবহারকারীদের জানিয়ে দেয়, গুগল ম্যাপসে আপনার লোকেশন কতটা ভালোভাবে বুঝতে পারছে।
সূত্র: গুগল হেল্প
কেএসকে
What's Your Reaction?

