গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীসহ পরিবার পলাতক

‎​নড়াইলের কালিয়ায় গৃহবধূ লাজিনা আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার চাঁচুড়ী ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত লাজিনা আক্তার একই উপজেলার পিরোলী গ্রামের খানকাপাড়ার মো. মোজাম মল্লিকের মেয়ে।   শুক্রবার (৩ জুলাই) ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, কয়েক বছর আগে উপজেলার চাঁচুড়ী ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া গ্রামের জামাল শেখের ছেলে আব্দুর রহমান শেখের সঙ্গে লাজিনার বিবাহ হয়। তাদের সংসারে চার বছর বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।  নিহতের পরিবার জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয়দের মাধ্যমে মৃত লাজিনার পিতা মোজাম মল্লিক জানতে পারেন তার মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে মোজাম মল্লিক লাজিনার শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে দেখেন, তার লাশ উঠানে পড়ে আছে। কিন্তু লাজিনার স্বামী জামাল শেখ, শ্বশুর, শাশুড়িসহ বাড়ির সবাই গা ঢাকা দিয়েছেন।  নিহতের স্বজন এবং প্রতিবেশীদের দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যা। পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি দেখে এবং লাজিনার শরীরের বিভিন্ন চিহ্নের ওপর ভিত্তি করে এলাকাবাসীর ধারণা, তাকে হত্যার পর মৃতদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তাছাড়া, ঘটনার পর থেকে

গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীসহ পরিবার পলাতক

‎​নড়াইলের কালিয়ায় গৃহবধূ লাজিনা আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার চাঁচুড়ী ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত লাজিনা আক্তার একই উপজেলার পিরোলী গ্রামের খানকাপাড়ার মো. মোজাম মল্লিকের মেয়ে।  

শুক্রবার (৩ জুলাই) ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, কয়েক বছর আগে উপজেলার চাঁচুড়ী ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া গ্রামের জামাল শেখের ছেলে আব্দুর রহমান শেখের সঙ্গে লাজিনার বিবাহ হয়। তাদের সংসারে চার বছর বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। 

নিহতের পরিবার জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয়দের মাধ্যমে মৃত লাজিনার পিতা মোজাম মল্লিক জানতে পারেন তার মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে মোজাম মল্লিক লাজিনার শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে দেখেন, তার লাশ উঠানে পড়ে আছে। কিন্তু লাজিনার স্বামী জামাল শেখ, শ্বশুর, শাশুড়িসহ বাড়ির সবাই গা ঢাকা দিয়েছেন। 

নিহতের স্বজন এবং প্রতিবেশীদের দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যা। পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি দেখে এবং লাজিনার শরীরের বিভিন্ন চিহ্নের ওপর ভিত্তি করে এলাকাবাসীর ধারণা, তাকে হত্যার পর মৃতদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তাছাড়া, ঘটনার পর থেকে বাড়ির প্রধান ফটক তালাবদ্ধ রেখে পরিবারের সবার এমন পলায়ন সন্দেহ আরও ঘনীভূত করেছে।‎ 

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কাজ সম্পন্ন করে ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

কালিয়া থানার কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী জানান, সত্য উদঘাটন করতে পুলিশ জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়ায় সব রকম কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow