গোপালগঞ্জে বিএনপির রেকর্ড
সাড়ে পাঁচ দশক ধরে গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের যে একক রাজনৈতিক আধিপত্য ছিল, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার অবসান ঘটে এক নতুন ইতিহাসের সূচনা হয়েছে। জেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ (ভিআইপি) আসনেই জয়লাভ করে অভাবনীয় রেকর্ড গড়েছে বিএনপি। এর আগে এসব আসনে বরাবরই আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়ে আসছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় দলটি এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট, জাতীয় পার্টি, গণফোরাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ২৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিন আসনে গড়ে ৪০ শতাংশ ভোট সংগৃহীত হয়েছে। গোপালগঞ্জ-১: এই আসনে বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর বিভাগ) সেলিমুজ্জামান মোল্লা ৬৮ হাজার ৮৬৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত এই আসনে টানা ছয়বার নির্বাচিত হয়েছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ফারুক খান। গোপালগঞ্জ-২: জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব
সাড়ে পাঁচ দশক ধরে গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের যে একক রাজনৈতিক আধিপত্য ছিল, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার অবসান ঘটে এক নতুন ইতিহাসের সূচনা হয়েছে। জেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ (ভিআইপি) আসনেই জয়লাভ করে অভাবনীয় রেকর্ড গড়েছে বিএনপি। এর আগে এসব আসনে বরাবরই আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়ে আসছিলেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় দলটি এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট, জাতীয় পার্টি, গণফোরাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ২৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিন আসনে গড়ে ৪০ শতাংশ ভোট সংগৃহীত হয়েছে।
গোপালগঞ্জ-১: এই আসনে বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর বিভাগ) সেলিমুজ্জামান মোল্লা ৬৮ হাজার ৮৬৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত এই আসনে টানা ছয়বার নির্বাচিত হয়েছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ফারুক খান।
গোপালগঞ্জ-২: জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কেন্দ্রীয় নেতা ডা. কেএম বাবর আলী ৪০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসন থেকে টানা ৯ বার সংসদ সদস্য ছিলেন আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিম।
গোপালগঞ্জ-৩: বহুল আলোচিত এই ভিভিআইপি আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এসএম জিলানী ৬০ হাজার ১৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এই আসনটি থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানা সাতবার নির্বাচিত হয়েছিলেন।
ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ভোটাররা। গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী হুমায়রা তাবাসুম বলেন, জীবনের প্রথম ভোট পছন্দের দল ও প্রার্থীকে দিতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. আবু সালেহ বলেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গোপালগঞ্জের মানুষের মনে পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, এই নির্বাচনী ফলাফল তারই প্রতিফলন।
What's Your Reaction?