গোমতীর দুই পাড়ে পাউবোর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

কুমিল্লার প্রাণপ্রবাহ গোমতী নদীর দুই পাড়ে গিড়ে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ঝাঁকুনিপাড়া এলাকা থেকে এ অভিযান চলে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রস্তুত করা তালিকা অনুযায়ী, গোমতী নদীর দুই পাড়ে মোট ১৪৯টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থাপনা পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রথম দিনের অভিযানে তালিকাভুক্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে প্রায় ৬০টি স্থাপনা অপসারণ করা হয়। অভিযানে এক্সাভেটরসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাশিয়াত আক্তার এবং কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান খান। কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান খান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গোমতী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও তীরবর্তী এলাকায় অবৈধভাবে দোকান, ঘর ও বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।

গোমতীর দুই পাড়ে পাউবোর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

কুমিল্লার প্রাণপ্রবাহ গোমতী নদীর দুই পাড়ে গিড়ে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ঝাঁকুনিপাড়া এলাকা থেকে এ অভিযান চলে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রস্তুত করা তালিকা অনুযায়ী, গোমতী নদীর দুই পাড়ে মোট ১৪৯টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থাপনা পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রথম দিনের অভিযানে তালিকাভুক্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে প্রায় ৬০টি স্থাপনা অপসারণ করা হয়। অভিযানে এক্সাভেটরসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাশিয়াত আক্তার এবং কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান খান।

কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান খান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গোমতী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও তীরবর্তী এলাকায় অবৈধভাবে দোকান, ঘর ও বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এসব স্থাপনার কারণে বাঁধের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এটি একদিনের অভিযান নয়। গোমতী নদীর তীর ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সম্পূর্ণভাবে দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে অভিযান চলবে।

জাহিদ পাটোয়ারী/এসজেডএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow