গ্রেপ্তারি পরোয়ানা উপেক্ষা করে প্রবাসীর ফ্ল্যাটে ভাঙচুর, দখলচেষ্টার অভিযোগ
রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানের নিকেতনে মোহাম্মদ আনোয়ার নামে এক দুবাই প্রবাসীর ‘ফ্ল্যাট দখলের জন্য’ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ঘটনার সাথে জড়িতরা এর আগেও ফ্ল্যাটটি (বাসা নং ৯৪, ফ্ল্যাট এ-৫) ‘দখলের জন্য’ একাধিকবার চেষ্টা করেছেন। জড়িতদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলাও দায়ের করা হয়েছে। আসামিরা হলেন, আবুল কালাম আজাদ, এ কে আহমেদ রাজ ও কাজী কামরুন নাহার। তাদের বিরুদ্ধে করা মামলায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। পরোয়ানা সত্ত্বেও আসামিরা গ্রেপ্তার না হয়ে ফের ফ্ল্যাটে হামলার ঘটনায় চরম উদ্বেগে আছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তোভোগী আনোয়ার। ফ্ল্যাটের মালিক মোহাম্মদ আনোয়ার বলেন, আমি ২০১৫ সালে এক নাম্বার আসামি আবুল কালাম আজাদের কাছ থেকে ফ্ল্যাটটি কিনি। এরপর থেকে সেখানে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছি। তবে প্রায় আড়াই বছর ধরে চাকরি সূত্রে দুবাইয়ে পরিবার নিয়ে বসবাস করছি। বর্তমানে ওই ফ্ল্যাট খালি থাকে। মাঝে মধ্যে পরিবারের লোক গেলে সেখানে থাকেন। ফ্ল্যাট ফাঁকা থাকার সুযোগে আসামিরা জোরপূর্বক আমাদে
রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানের নিকেতনে মোহাম্মদ আনোয়ার নামে এক দুবাই প্রবাসীর ‘ফ্ল্যাট দখলের জন্য’ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ঘটনার সাথে জড়িতরা এর আগেও ফ্ল্যাটটি (বাসা নং ৯৪, ফ্ল্যাট এ-৫) ‘দখলের জন্য’ একাধিকবার চেষ্টা করেছেন। জড়িতদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
আসামিরা হলেন, আবুল কালাম আজাদ, এ কে আহমেদ রাজ ও কাজী কামরুন নাহার। তাদের বিরুদ্ধে করা মামলায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। পরোয়ানা সত্ত্বেও আসামিরা গ্রেপ্তার না হয়ে ফের ফ্ল্যাটে হামলার ঘটনায় চরম উদ্বেগে আছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তোভোগী আনোয়ার।
ফ্ল্যাটের মালিক মোহাম্মদ আনোয়ার বলেন, আমি ২০১৫ সালে এক নাম্বার আসামি আবুল কালাম আজাদের কাছ থেকে ফ্ল্যাটটি কিনি। এরপর থেকে সেখানে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছি। তবে প্রায় আড়াই বছর ধরে চাকরি সূত্রে দুবাইয়ে পরিবার নিয়ে বসবাস করছি। বর্তমানে ওই ফ্ল্যাট খালি থাকে। মাঝে মধ্যে পরিবারের লোক গেলে সেখানে থাকেন। ফ্ল্যাট ফাঁকা থাকার সুযোগে আসামিরা জোরপূর্বক আমাদের অ্যাপার্টমেন্ট দখলের চেষ্টা করে আসছেন। তারা একাধিকবার ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরা চুরি ও ভাঙচুর করেছেন।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে বাধ্য হয়ে আমরা আদালতে মামলা করি। আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে ওই মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। উল্টো গতকাল রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আসামি আবুল কালাম আজাদ ও এ কে আহমেদ রাজ আমাদের বাসায় প্রবেশ করে ভেতরের সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে ফের লুটপাট চালায়। তবে রিয়েল-টাইম অ্যালার্ট পেয়ে টের পেয়ে যাই। দ্রুত নিকেতন সোসাইটির দায়িত্বশীলদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। নিরাপত্তাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আসামিরা পালিয়ে যায়। ভিডিও ফুটেজে আসামিদের ক্যামেরা ভাঙচুর ও লুটপাট করতে দেখা গেছে।
আনোয়ার অভিযোগ করে আরও বলেন, তাৎক্ষণিক পুলিশকে জানালেও আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো সাড়া মেলেনি। বর্তমানে আমরা কোনো ধরনের সহযোগিতা পাচ্ছি না। একজন প্রবাসী হিসেবে নিজের সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে আমরা চরম উদ্বেগে আছি।
এদিকে ফ্ল্যাট দখলের ঘটনায় করা মামলার আদালতের আদেশ থেকে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ভুক্তভোগীর কাছে ফ্ল্যটের জন্য ৯০ লাখ টাকা গ্রহণ করে। ভুক্তোভোগীর নামে দলিল সম্পাদনের বিষয়ে সম্পূর্ণ অবগত থাকার পরেও জালিয়াতির মাধ্যমে দলিল তৈরি করে ফ্ল্যাটে জোরপূর্বক প্রবশের চেষ্টা এবং সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করেছে। মামলাটি গুলশান থানাকে লিপিবন্ধ করার নির্দেশ দেন আদালত।
এবিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ পলাশ কালবেলাকে বলেন, ফ্ল্যাটে ভাঙচুরের ঘটনাটি জানা নেই। আমাকে কেউ জানায়নি। আর মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার নোটিশ এখনো হাতে পাইনি। পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।
What's Your Reaction?